Sale!

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কবে

Original price was: 2,900.00৳ .Current price is: 2,050.00৳ .

<h2>সরাসরি কিনতে ফোন করুন:=”color: #0000ff;”> 01622913640

&amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;gt;&gt; সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !</p>

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে 60 ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !</p>

<p>>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

983 in stock

SKU: (54) ম্যাজিক কনডম কোডঃ 125 Category: Tag:

Description

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কবে । আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি তারিখে পালিত হয়। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো কর্তৃক এই দিবসটি ঘোষণা করা হয়েছিল এবং ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে।

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কবে

এই দিবসটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ ১৯৫২ সালের এই দিনেই ঢাকার শহীদ মিনারে মাতৃভাষা বাংলার অধিকারের জন্য শহীদ হয়েছিলেন রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত, রফিকুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশেও সরকারি ও বেসরকারিভাবে এই দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়।

ইতিহাস ও তাৎপর্য:

  • ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি: ঢাকার শহীদ মিনারে পাঁচজন শিক্ষার্থী (রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত ও সফিউর) মাতৃভাষা বাংলার জন্য প্রাণ দেন।
  • ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর: ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
  • ২০০০ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি: প্রথমবারের মতো বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়।

বাংলা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট:

  • ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকালে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।
  • বাঙালিরা তাদের মাতৃভাষা বাংলার অধিকার রক্ষার জন্য আন্দোলন শুরু করে।
  • ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন তীব্র রূপ ধারণ করে এবং পুলিশের গুলিতে পাঁচজন শিক্ষার্থী শহীদ হন।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব:

  • বিশ্বব্যাপী ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষা ও সমৃদ্ধি।
  • ভাষা-ভিত্তিক বৈষম্য ও সহিংসতা দূরীকরণ।
  • বহুভাষিকতার গুরুত্ব ও সুবিধা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি।
  • সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখা।

উদাহরণ:

  • বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কর্মসূচির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়।
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভাষা আন্দোলন ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দেওয়া হয়।
  • গণমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা অনুষ্ঠান ও প্রতিবেদন প্রচারিত হয়।

উপসংহার:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধুমাত্র একটি স্মরণীয় দিবসই নয়, বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। এই দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমাদের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া এবং ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: বিস্তারিত আলোচনা

দ্রুত চিকন হওয়ার ওষুধ DETOXI SLIM কিনতে এখনই ক্লিক করুন

ইতিহাস ও তাৎপর্য:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয় প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি, যা ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো কর্তৃক ঘোষণা করা হয়েছিল। এই দিবসটির মূলে রয়েছে বাংলা ভাষা আন্দোলন, যেখানে ১৯৫২ সালের এই দিনে ঢাকার শহীদ মিনারে পাঁচজন শিক্ষার্থীকে মাতৃভাষা বাংলার জন্য প্রাণ দিতে হয়েছিল।

বাংলা ভাষা আন্দোলন:

১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজনের পর, পাকিস্তানের শাসকরা উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঙালিরা। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা মিছিল করার সময় পুলিশের গুলিতে রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত ও রফিক – এই পাঁচজন শিক্ষার্থী শহীদ হন। তাদের আত্মত্যাগ বাঙালি জাতিকে অনুপ্রাণিত করে এবং ভাষা আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে ওঠে। অবশেষে, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান সরকার বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব:

  • ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা: এই দিবসটি বিশ্বব্যাপী মানুষের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জ্ঞাপন করে।
  • ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষা: বিশ্বে প্রায় ৭০০০ টিরও বেশি ভাষা রয়েছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এই ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষা ও সংরক্ষণের গুরুত্বের উপর জোর দেয়।
  • বহুভাষিকতার প্রচার: এই দিবস বহুভাষিকতার ধারণাকে প্রচার করে, যা ব্যক্তি ও সমাজের জন্য অপরিসীম সুযোগ তৈরি করে।
  • শিক্ষা ও সংস্কৃতির সাথে সম্পর্ক: মাতৃভাষা শিক্ষার মূল মাধ্যম। এটি ব্যক্তির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শিক্ষা ও সংস্কৃতির গুরুত্বের উপর আলোকপাত করে।

উদাহরণ:

  • বাংলা ভাষা আন্দোলনের প্রভাবে অনুপ্রাণিত হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও ভাষা আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল।
  • ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন कार्यक्रम आयोजित করে, যেমন -研討會, সঙ্গীতানুষ্ঠান, পুরস্কার বিতরণী ইত্যাদি।
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ঢাকায় অবস্থিত ।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: বিস্তারিত আলোচনা

ইতিহাস ও তাৎপর্য:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি তারিখে পালিত হয়। ১৯৫২ সালের এই একই দিনে ঢাকায় মাতৃভাষা বাংলার অধিকারের জন্য শহীদ হয়েছিলেন রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত, সফিউরসহ আরও অনেকে। তাদের আত্মত্যাগের স্মরণে এবং বিশ্বব্যাপী ভাষা আন্দোলনকে সমর্থন জানাতে ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো এই দিবসটি ঘোষণা করে।

এই দিবস শুধুমাত্র বাংলা ভাষার জন্য নয় বরং বিশ্বের সকল ভাষার জন্য। মাতৃভাষা আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং পরিচয়ের সাথে গভীরভাবে জড়িত। এটি আমাদের চিন্তাভাবনা প্রকাশ করার, শেখার এবং অন্যের সাথে যোগাযোগ করার প্রাথমিক মাধ্যম।

উদাহরণ:

  • ভাষা আন্দোলন: বাংলা ভাষা আন্দোলন বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভাষা আন্দোলন। মাতৃভাষা বাংলার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রাপ্তির জন্য বাঙালিরা দীর্ঘ সংগ্রাম করেছিলেন। এই আন্দোলন শুধুমাত্র বাংলা ভাষার জন্যই নয় বরং বিশ্বব্যাপী ভাষা আন্দোলনকেও অনুপ্রাণিত করেছে।
  • ভাষা হুমকির মুখে: বিশ্বে অনেক ভাষা বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। ইউনেস্কোর মতে, বিশ্বের প্রায় ৬০০০ ভাষার মধ্যে প্রায় ২৪০০ ভাষা বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে।
  • বহুভাষিকতা: ভাষা আমাদের বিশ্বকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে। বিভিন্ন ভাষা জানা আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধি করে, নতুন সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে এবং কর্মক্ষেত্রে আমাদের সুযোগ বৃদ্ধি করে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের গুরুত্ব:

  • ভাষা সচেতনতা বৃদ্ধি: এই দিবসটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় মাতৃভাষার গুরুত্ব এবং আমাদের ভাষা সম্পদ রক্ষার প্রয়োজনীয়তা।
  • ভাষা অধিকার রক্ষা: সকলের ভাষা অধিকার রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। এই দিবসটি আমাদের সকলকে সকলের ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে এবং বৈষম্য দূর করতে অনুপ্রাণিত করে।
  • বহুভাষিকতা উৎসাহিত করা: বিভিন্ন ভাষা শেখা আমাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে অনেক সুযোগ করে দেয়। এই দিবসটি আমাদের সকলকে নতুন ভাষা শিখতে এবং বহুভাষিকতা গ্রহণ করতে অনুপ্রাণিত করে।

উপসংহার:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধু একটি দিবস পালন নয়, বরং এটি একটি ভাষা আন্দোলন।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কবে

ইতিহাস ও তাৎপর্য:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয় প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি, যা মনে করিয়ে দেয় ১৯৫২ সালের সেই কালো দিনের কথা যখন ঢাকায় মাতৃভাষা বাংলার অধিকারের জন্য রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত, সফিউরসহ আরও অনেকে শহীদ হয়েছিলেন।

ইউনেস্কোর স্বীকৃতি:

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো এই দিবসটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়

এবং ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্বব্যাপী এটি পালিত হতে থাকে।

গুরুত্ব:

  • ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা: এই দিবসটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, প্রতিটি ভাষারই নিজস্ব মূল্য ও ঐতিহ্য আছে
  • এবং আমাদের উচিত সকল ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া।
  • ভাষা অধিকার: মাতৃভাষা দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, সকলেরই নিজস্ব ভাষায় কথা বলার,
  • শিক্ষা গ্রহণের এবং সাংস্কৃতিক পরিচয় ধারণ করার অধিকার আছে।
  • বহুভাষিকতা: এই দিবস বহুভাষিকতাকে উৎসাহিত করে, যা ব্যক্তি ও সমাজের জন্য অপরিহার্য।
  • সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য: মাতৃভাষা আমাদের সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিভিন্ন ভাষার অস্তিত্ব বিশ্বকে করে তোলে আরও সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময়।
  • শান্তি ও ঐক্য: ভাষার মধ্য দিয়ে আমরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারি, বোঝাপড়া বাড়াতে পারি এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান তৈরি করতে পারি।

উদাহরণ:

  • বাংলা ভাষা আন্দোলন: বাংলা ভাষা আন্দোলন বিশ্বের ভাষা আন্দোলনের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
  • এই আন্দোলন মাতৃভাষার গুরুত্ব ও অধিকার রক্ষার জন্য বিশ্বব্যাপী অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে।
  • নেলসন ম্যান্ডেলা: নেলসন ম্যান্ডেলা বলেছিলেন, “যদি আপনি কারো সাথে তাদের ভাষায় কথা বলতে চান, তাহলে তাদের হৃদয়ে স্পর্শ করুন। কিন্তু যদি আপনি তাদের নিজস্ব ভাষায় তাদের সাথে কথা বলতে চান, তাহলে তাদের আত্মাকে স্পর্শ করুন।”
  • ইউনেস্কোর ভাষা সঙ্কট: ইউনেস্কোর মতে, বিশ্বে প্রায় ৬,০০০ ভাষা বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে।
  • মাতৃভাষা দিবস আমাদের সচেতন করে তোলে এই ভাষাগুলোকে রক্ষা করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কবে”

Your email address will not be published. Required fields are marked *