Sale!

কাল্পনিক সংলাপ লেখার নিয়ম । বাংলা ২য় পত্র সংলাপ লেখার নিয়ম

Original price was: 1,500.00৳ .Current price is: 1,150.00৳ .

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913640

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে 60 ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

983 in stock

Description

কাল্পনিক সংলাপ লেখার নিয়ম ।

কাল্পনিক সংলাপ লেখার নিয়ম:

১) চরিত্র চিন্তা:

পড়ুনঃম্যাজিক কনডম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

চরিত্রের ব্যক্তিত্ব:

  • ব্যক্তিত্বের বৈচিত্র্য: প্রতিটি চরিত্রই অনন্য হওয়া উচিত। তাদের চিন্তাভাবনা, অনুভূতি, কথা বলার ধরণ, শারীরিক ভাষা, পোশাক-পরিচ্ছদ, আচরণ-আচরণ সবকিছুতেই বৈচিত্র্য থাকতে হবে।
  • বাস্তবসম্মততা: চরিত্রগুলো বাস্তব জীবনের মানুষের মতো হতে হবে। তাদের আবেগ, প্রতিক্রিয়া, এবং সিদ্ধান্তগুলো যুক্তিসঙ্গত ও বিশ্বাসযোগ্য হতে হবে।
  • পরিবর্তন ও বিকাশ: গল্পের অগ্রগতির সাথে সাথে চরিত্রগুলো পরিবর্তিত হতে পারে। নতুন অভিজ্ঞতা ও পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে তারা নতুন কিছু শিখতে পারে, তাদের মতামত পরিবর্তন করতে পারে, অথবা নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারে।

পটভূমি:

  • জীবনী: চরিত্রগুলোর জন্মস্থান, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, পারিবারিক পরিস্থিতি, বন্ধুবান্ধব, শখ, পছন্দ-অপছন্দ ইত্যাদি বিষয়গুলো তাদের ব্যক্তিত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • সংস্কৃতি: চরিত্রগুলোর সংস্কৃতি তাদের মূল্যবোধ, বিশ্বাস, এবং আচরণকে প্রভাবিত করে।
  • সামাজিক অবস্থান: চরিত্রগুলোর সামাজিক অবস্থান তাদের অধিকার, সুযোগ, এবং চ্যালেঞ্জগুলো নির্ধারণ করে।

চরিত্রের প্রেরণা:

  • লক্ষ্য: প্রতিটি চরিত্রের নিজস্ব লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য থাকা উচিত।
  • ইচ্ছা: চরিত্রগুলো কি চায়, কিসের জন্য লড়াই করে, এবং কী অর্জন করতে চায় তা স্পষ্টভাবে বোঝা যাওয়া উচিত।
  • সংঘাত: চরিত্রগুলোর লক্ষ্য অর্জনে বাধা সৃষ্টি করার জন্য বিভিন্ন সংঘাত তৈরি করা যেতে পারে।

২) বাস্তবসম্মত ভাষা:

প্রাকৃতিক ভাষা:

  • কথ্য ভাষা: সংলাপে প্রকৃত কথ্য ভাষার ব্যবহার করা উচিত। লেখার ভাষার সাথে কথোপকথনের ভাষার মধ্যে পার্থক্য থাকে।
  • আঞ্চলিকতা: চরিত্রগুলোর আঞ্চলিকতা তাদের ভাষায় ফুটিয়ে তোলা যেতে পারে। তবে, তা এমনভাবে হতে হবে যাতে সকল পাঠক তা সহজেই বুঝতে পারে।
  • অস্পষ্টতা: প্রয়োজনে সংলাপে অস্পষ্টতা রেখে রহস্য বা উত্তেজনা তৈরি করা যেতে পারে।
  • শব্দ ভান্ডার: চরিত্রগুলোর শিক্ষা ও পেশার সাথে মানানসই শব্দ ভান্ডার ব্যবহার করা উচিত।

কাল্পনিক সংলাপ লেখার নিয়ম: বিস্তারিত আলোচনা

৩) সংলাপের প্রবাহ:

  • সংক্ষিপ্ততা: সংলাপ যথাসম্ভব সংক্ষিপ্ত রাখুন। অপ্রয়োজনীয় কথা এড়িয়ে চলুন।
  • উদ্দেশ্যমূলকতা: প্রতিটি কথোপকথনের একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থাকা উচিত।
  • চাপ-প্রতিচাপ: সংলাপে চাপ-প্রতিচাপের ব্যবহার পাঠকের মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে।

৪) পরিবেশ ও দৃশ্য:

  • পরিবেশ: সংলাপ কোথায় হচ্ছে তা স্পষ্ট করে তোলার জন্য পরিবেশের বিবরণ সংযুক্ত করা যেতে পারে।
  • দৃশ্য: চরিত্রগুলো কি করছে, কিভাবে বসে আছে, কিভাবে দেখাচ্ছে ইত্যাদি বিষয়গুলো সংলাপের মাধ্যমে বর্ণনা করা যেতে পারে।

৫) ব্যাকরণ ও বানান:

  • শুদ্ধ ব্যাকরণ: সংলাপে শুদ্ধ ব্যাকরণ ও বানান ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি।
  • বিরামচিহ্ন: বিরামচিহ্ন সঠিকভাবে ব্যবহার করলে সংলাপ আরও স্পষ্ট ও বোধগম্য হয়।

কিছু অতিরিক্ত টিপস:

  • স্ক্রিপ্ট পড়ুন: চলচ্চিত্র ও নাটকের স্ক্রিপ্ট পড়লে কাল্পনিক সংলাপ লেখার ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
  • অনুশীলন: নিয়মিত অনুশীলন করলেই কাল্পনিক সংলাপ লেখার দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব।
  • পরামর্শ: অন্যদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়াও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।

কাল্পনিক সংলাপের উদাহরণ:

দৃশ্য: একটি ছোট্ট চা-য়ের দোকান। দুই বন্ধু, রুদ্র ও জয়, চা পান করছে।

রুদ্র: (বিষণ্ণ মুখে) আচ্ছা, তুই কি ভাবছিস, আমার কি করা উচিত?

জয়: (চিন্তা করে) কী হয়েছে রুদ্র? এত বিষণ্ণ কেন?

রুদ্র: চাকরির ব্যাপারটা। ইন্টারভিউ দিয়ে এসেছি, কিন্তু মনে হচ্ছে আর হবে না।

জয়: হতাশ হয়নি কেন? তুই খুব ভালো করেছিলি। আর, একটা চাকরি না হলে কি হবে? অন্য চাকরির চেষ্টা কর।

রুদ্র: কথাটা সহজ, কিন্তু আসলে মনটা খারাপ। এত প্রস্তুতি নিয়েও যদি না হয়!

জয়: হতাশ হলে চলবে না। তুই যোগ্য, অবশ্যই ভালো কোন চাকরি পেয়ে যাবি।

রুদ্র: তোর কথা শুনে মনটা একটু ভালো লাগছে।

জয়: আচ্ছা, চল এখন একটু আড্ডা দেই। এই চা শেষ করে আরেক কাপ নেওয়া যাক।

রুদ্র: ठीक আছে।

(কিছুক্ষণ পর)

রুদ্র: জয়, তুই কি ভেবেছিস, জীবনে সফলতা কী?

জয়: সফলতা? মনে হয় অনেক কিছুর সমন্বয়। ভালো চাকরি, ভালো সংসার, সামাজিক সম্মান, আর্থিক সচ্ছলতা – সবকিছু মিলিয়েই তো সফলতা।

রুদ্র: হুম। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের মনের সুখ। যদি মন ভালো না থাকে, তাহলে আর কিছুই ভালো লাগে না।

জয়: ঠিক বলেছিস। তবে, মনের সুখ আসে যখন আমরা জীবনে কিছু অর্জন করি। লক্ষ্য ঠিক করে তার পেছনে ছুটে যাওয়া, এবং তা অর্জন করার পর যে আনন্দ – সেটা অন্য কোন সুখের সাথে তুলনা করা যায় না।

রুদ্র: হ্যাঁ, ঠিকই। চল, আমরাও আজ থেকে নতুন করে চেষ্টা শুরু করি। হাল ছাড়ব না। অবশ্যই সফল হব।

জয়: অবশ্যই হবে। তুই যদি থাকিস আমিও পাশে থাকব।

(দুজনেই আশার হাসি হাসে)

এই সংলাপে লক্ষ্য করা যাচ্ছে:

  • চরিত্র: রুদ্র ও জয় দুই বন্ধু। রুদ্র হতাশ, জয় তাকে সান্ত্বনা দিচ্ছে।
  • বাস্তবসম্মত ভাষা: সংলাপে প্রাকৃতিক কথ্য ভাষার ব্যবহার করা হয়েছে। চরিত্র দুজনই শিক্ষিত ও চাকুরিজীবী, তাই তাদের ভাষাও শিক্ষিত ও পরিমার্জিত।
  • সংলাপের প্রবাহ: সংলাপ সাবলীল ও প্রাঞ্জল।
  • বিষয়বস্তু: বন্ধুত্ব, চাকরি, জীবন, সফলতা – এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে

বাংলা ২য় পত্র সংলাপ লেখার নিয়ম

সংলাপ হলো দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথন। বাংলা ২য় পত্রে পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেতে হলে, নিয়ম মেনে সংলাপ লিখতে হবে।

নিয়মাবলী:

১. চরিত্র চিহ্নিতকরণ:

  • প্রতিটি বক্তব্যের আগে বন্ধনীতে চরিত্রের নাম লিখুন।
  • উদাহরণ:
    • রহিম: আচ্ছা, কেমন যাচ্ছে তোর চাকরি?
    • করিম: (দীর্ঘশ্বাস ফেলে) আরে, একই কাজ, একই রুটিন।

২. ভাষা:

  • চরিত্রের বয়স, পরিচয়, শিক্ষা, পরিবেশ অনুযায়ী ভাষা ব্যবহার করুন।
  • স্থানীয় বোলি, আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করে সংলাপকে আরও জীবন্ত করে তুলুন।
  • অপ্রয়োজনীয় শব্দ ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

৩. প্রবাহ:

  • সংলাপে প্রবাহ থাকা উচিত।
  • প্রশ্ন-উত্তর, বিরতি, মৌনতা ব্যবহার করে সংলাপকে আকর্ষণীয় করে তুলুন।
  • কৃত্রিমতা এড়িয়ে চলুন।

৪. সংক্ষিপ্ততা:

  • অপ্রয়োজনীয় বাক্য বাদ দিয়ে সংলাপকে সংক্ষিপ্ত রাখুন।
  • গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের উপর জোর দিন।

৫. ব্যাকরণ:

  • শুদ্ধ বাংলা ব্যবহার করুন।
  • বানানব্যাকরণগত ভুল এড়িয়ে চলুন।

৬. বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ:

  • সংলাপ অবশ্যই নির্দিষ্ট বিষয় বা উদ্দেশ্য এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
  • উদ্দেশ্যহীন বা অপ্রাসঙ্গিক কথা এড়িয়ে চলুন।

৭. সৃজনশীলতা:

  • আপনার কল্পনাশক্তি ব্যবহার করে আকর্ষণীয় এবং চিন্তা-উদ্দীপক সংলাপ তৈরি করুন।
  • নতুন ধারণা তৈরির চেষ্টা করুন।

কিছু টিপস:

  • নাটক, চলচ্চিত্র, গল্প পড়ে সংলাপ লেখার অনুশীলন করুন।
  • মানুষের কথা মনোযোগ সহকারে শুনুন এবং তাদের ভাষা রীতি লক্ষ্য করুন।
  • নিজের অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে সংলাপকে সমৃদ্ধ করুন।

মনে রাখবেন:

  • নিয়ম মেনে লেখা সংলাপ শুধু নম্বরই বাড়ায় না, বরং আপনার ভাষাগত দক্ষতাসৃজনশীলতাও প্রমাণ করে।

পড়ুনঃ  ব্রা – প্যান্টি কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ মেয়েদের যোনি টাইট করার ক্রিম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ  ম দিয়ে ছেলেদের নাম / ম দিয়ে ছেলেদের  ইসলামিক নাম

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “কাল্পনিক সংলাপ লেখার নিয়ম । বাংলা ২য় পত্র সংলাপ লেখার নিয়ম”

Your email address will not be published. Required fields are marked *