Sale!

যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি

Original price was: 2,900.00৳ .Current price is: 1,500.00৳ .

<h2>সরাসরি কিনতে ফোন করুন:”color: #0000ff;”&gt; 01622913640&lt;/span>

&gt;&gt

; সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে 60 ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>প্রোডাক্ট হাতে পে

য়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !&lt;/p>

983 in stock

Description

যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি । “যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি” এই লাইনটি কবি সুফিয়া আহমেদের বিখ্যাত কবিতা “শিশুর কবিতা” থেকে উদ্ধৃত।

যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি

এই কবিতাটি শিশুদের আনন্দ ও নিরপরাধ জীবনের কথা বলে। কবিতার এই অংশে কবি বর্ণনা করছেন যে, শিশুরা যখন খুশি হয় তখন তারা মনের হরষে ঘরে মোমের বাতি জ্বালিয়ে দেয়।

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

এই বাতি জ্বালানো শুধু আলোর জন্য নয়, বরং এটি তাদের আনন্দ ও উৎসাহের প্রতীক।

কবিতার পূর্ণাঙ্গ রূপ:

যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি
আশুগৃহে তার দেখিবে না আর নিশিথে ভাতি

কাঁদবে না আর সেই শিশু মায়ের কোলে আঁকড়াইয়া
হাসবে না আর সেই শিশু খেলাধুলার মাঝখানে

থেমে যাবে তার গান, থেমে যাবে তার হাসি
থেমে যাবে তার খেলা, থেমে যাবে তার ছুটে বেড়ানো

বুকে তার বেদনার ঝড়, চোখে তার জলের ধারা
মুখ তার মলিন হবে, মন তার হবে ভারা

কবিতার ব্যাখ্যা:

  • প্রথম চরণ: এই চরণে কবি বর্ণনা করছেন যে, শিশুরা যখন খুশি হয় তখন তারা ঘরে মোমের বাতি জ্বালিয়ে দেয়। এই বাতি জ্বালানো শুধু আলোর জন্য নয়, বরং এটি তাদের আনন্দ ও উৎসাহের প্রতীক।
  • দ্বিতীয় চরণ: এই চরণে কবি বলছেন যে, যখন শিশু মারা যায় তখন তারা আর কখনো ঘরে মোমের বাতি জ্বালাবে না। কারণ তখন তাদের আনন্দ ও উৎসাহ থাকবে না।
  • তৃতীয় চরণ: এই চরণে কবি শিশুর মৃত্যুর পরের পরিস্থিতি বর্ণনা করছেন। শিশু আর কখনো মায়ের কোলে আঁকড়াবে না, খেলাধুলো করবে না, গান গাইবে না, হাসবে না, ছুটে বেড়াবে না।
  • চতুর্থ চরণ: এই চরণে কবি শিশুর মৃত্যুর ফলে তার পরিবারের উপর যে দুঃখ-বেদনা নেমে আসে তার কথা বর্ণনা করছেন। শিশুর বুকে বেদনার ঝড় উঠবে, চোখে জলের ধারা বইবে, মুখ মলিন হবে এবং মন ভারা হয়ে যাবে।
  • পঞ্চম চরণ: এই চরণে কবি আবার প্রথম চরণের কথা পুনরাবৃত্তি করছেন।

উপসংহার:

এই কবিতাটি শিশুদের আনন্দ ও নিরপরাধ জীবনের কথা বলে। কবিতার মাধ্যমে কবি শিশুমৃত্যুর বেদনাদায়ক চিত্র তুলে ধরেছেন।

যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি

এই লাইনটি কবি সুফিয়া আহমেদের বিখ্যাত কবিতা শিশু থেকে উদ্ধৃত।

এই কবিতাটি একজন মৃত শিশুর স্মরণে লেখা হয়েছে। কবি শিশুটির নিরপরাধ জীবন ও মৃত্যুর বেদনাদায়ক বিবরণ তুলে ধরেছেন। কবিতার প্রথম দুটি পংক্তি হল:

**যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি**
**আশুগৃহে তার দেখিবে না আর নিশিথে ভাতি**

এই লাইনগুলি শিশুটির জন্মদিনের আনন্দের কথা বর্ণনা করে। কিন্তু কবি দুঃখের সাথে স্বীকার করেছেন যে, শিশুটি আর কখনো তার জন্মদিন পালন করতে পারবে না।

এই লাইনগুলির মাধ্যমে কবি শিশুটির মৃত্যুর বেদনাদায়ক বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। শিশুটির অকাল মৃত্যু তার পরিবারের জন্য অপরিসীম দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

**কবিতাটির সম্পূর্ণ পাঠ:**

যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি
আশুগৃহে তার দেখিবে না আর নিশিথে ভাতি।

যে শিশুটি হাসত মিষ্টি হাসি, গাইত মধুর গান
তার আজ কেবল মৃত্যুর শান্তি, চিরতরে থেমে গান।

খেলাধুলার মাঠে ছুটে বেরিয়েছিল যেদিন
হঠাৎ করেই থেমে গেল তার পদক্ষেপ, থেমে গেল চিন্তাভাবনা।

যে ফুল ফুটেছিল তার বাগানে, রঙিন রহস্যময়
আজ সেই ফুল ঝরে গেছে মাটিতে, হারিয়েছে তার রূপ।

যে পাখিটি গান গাইত ডালে ডালে, মধুর সুরে
আজ সেই পাখি থেমে গেছে গান গাইতে, চিরতরে হারিয়েছে সুর।

শূন্য হয়ে গেল তার খেলার ঘর, থেমে গেল তার খেলা
শূন্য হয়ে গেল তার আশা, থেমে গেল তার স্বপ্ন।

শুধু তার স্মৃতি এখনো বেঁচে আছে, মনের গভীরে
যে স্মৃতি জাগিয়ে তোলে অশ্রু, বেদনার তীব্র আঁচড়ে।

এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ।** শিশুটির মৃত্যুর বেদনাকে কবি অতুলনীয় সৌন্দর্য ও মর্মস্পর্শী ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন। এই কবিতা পাঠকের মনে গভীর দুঃখ ও বেদনার সঞ্চার করে।

 

যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি

 – এই লাইনটি সুজন্য দাস রচিত “প্রথম আলো” কবিতা থেকে উদ্ধৃত।

এই কবিতায় কবি একজন প্রিয় মানুষের মৃত্যুর শোক প্রকাশ করছেন। কবিতার মূল ভাব হল জীবনের অস্থায়িত্ব এবং মৃত্যুর অনিবার্যতা।

কবিতার পূর্ণাঙ্গ রূপ:

যে গান গেয়েছিল সে গান থামিবে চিরতরে

হাসি ফুটিয়েছিল সে হাসি হবে আর নগরে।

যে কথা বলেছিল সে কথা হবে স্মৃতিময়

স্নেহ ভালোবাসা ছিল তা হবে স্মৃতিময়।

হায়! চলে গেছে সেই প্রাণ, হায়! চলে গেছে সেই মানুষ

শূন্য হয়ে গেল আজ ঘর, শূন্য হয়ে গেল আজ মন।

কবিতার বিশ্লেষণ:

  • প্রথম চরণে কবি বর্ণনা করছেন যে, যে ব্যক্তি একদিন আনন্দের সাথে মোমের বাতি জ্বালিয়েছিলেন, আজ তাঁকে আর দেখা যাবে না।
  • দ্বিতীয় চরণে বলা হচ্ছে যে, যে ব্যক্তি একদিন গান গেয়েছিলেন, আজ তাঁর গান থেমে গেছে চিরতরে।
  • তৃতীয় চরণে বলা হচ্ছে যে, যে ব্যক্তি একদিন কথা বলেছিলেন, আজ তাঁর কথা শুধু স্মৃতিতে রয়ে গেছে।
  • চতুর্থ চরণে কবি শোক প্রকাশ করছেন প্রিয় মানুষের মৃত্যুর জন্য।
  • শেষ চরণে বলা হচ্ছে যে, ঘর ও মন দুটোই শূন্য হয়ে গেছে প্রিয় মানুষের চলে যাওয়ায়।

উল্লেখ্য:

  • এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় কবিতা।
  • এই কবিতাটি বারবার আবৃত্তি ও অনুবাদ করা হয়েছে।
  • এই কবিতাটি জীবনের অস্থায়িত্ব এবং মৃত্যুর অনিবার্যতা সম্পর্কে আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়।

আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার কাজে লাগবে।

 পড়ুনঃ  ব্রা – প্যান্টি কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ মেয়েদের যোনি টাইট করার ক্রিম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ  ম দিয়ে ছেলেদের নাম / ম দিয়ে ছেলেদের  ইসলামিক নাম

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি”

Your email address will not be published. Required fields are marked *