Sale!

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস অনুচ্ছেদ

Original price was: 2,900.00৳ .Current price is: 2,050.00৳ .

<h2>সরাসরি কিনতে ফোন করুন:=”color: #0000ff;”> 01622913640

&amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;gt;&gt; সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !</p>

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে 60 ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !</p>

<p>>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

983 in stock

Description

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস অনুচ্ছেদ । ২১শে ফেব্রুয়ারী, একই সাথে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়। বাঙালির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং অস্তিত্বের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত এই দুটি দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে গভীর তাৎপর্য বহন করে।

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস অনুচ্ছেদ

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

ভাষা আন্দোলন: ১৯৪৮ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা মাতৃভাষা বাংলার স্বীকৃতির দাবিতে রাস্তায় নেমেছিল। পাকিস্তান সরকারের নিরপেক্ষ ভাষা নীতির বিরুদ্ধে এই আন্দোলনে শহীদ হয়েছিলেন রফিক, জব্বার, সালাউদ্দিন, বরকত, রুহুল আমিনসহ আরও অনেকে। তাদের আত্মত্যাগ ভাষার প্রতি আমাদের দৃঢ় প্রত্যয়কে জাগ্রত করে তুলেছিল এবং বাংলা ভাষার স্বীকৃতির পথ সুগম করেছিল।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: ১৯৯৯ সালে, জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো) ২১শে ফেব্রুয়ারীকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ভাষা সংরক্ষণ ও ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

ভাষার গুরুত্ব: ভাষা আমাদের চিন্তা-ভাবনা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বাহন। এটি আমাদের পরিচয়ের প্রতীক এবং অন্যের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম। মাতৃভাষা শেখা আমাদের জ্ঞান, দক্ষতা ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

সম্মান ও শ্রদ্ধাঞ্জলি: আজকের দিনে আমাদের কর্তব্য হলো শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করা এবং তাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনে অবদান রাখা। আমাদের মাতৃভাষা বাংলা ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এর ঐতিহ্য বহন করে যেতে হবে।

ভাষা আন্দোলনের মূল্যবোধ: ভাষা আন্দোলন শুধুমাত্র একটি ভাষা আন্দোলন ছিল না, বরং এটি ছিল শোষণ ও অবিচারের বিরুদ্ধে এক প্রতীকী প্রতিরোধ। এই আন্দোলন থেকে আমরা শিক্ষা লাভ করি সাহস, ঐক্য এবং অধিকার আদায়ের মন্ত্র।

উপসংহার: মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য ও বীরত্বের প্রতীক। এই দুটি দিবস পালনের মাধ্যমে আমরা আমাদের ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করি এবং একটি সমৃদ্ধ ও সুন্দর বাংলাদেশ গঠনের প্রতিশ্রুতি জানাই।

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: একই ইতিহাস, একই আবেগ

২১ ফেব্রুয়ারি, একই সাথে মহান শহীদ দিবসআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বাঙালির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জাতীয়তাবোধের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত এই দুটি দিবস আমাদের জীবনে বহন করে অপরিসীম গৌরব ও বেদনার এক অভূতপূর্ব মেলবন্ধন।

১৯৫২ সালের এই দিনে, মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ওপর নির্মম গুলিবর্ষণ করেছিল পাকিস্তানি বাহিনী। রফিক, জব্বার, শফিউর, সালাম, বরকতসহ আরও অনেক অকৃতজ্ঞ শহীদের ত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলতে, লিখতে ও শিক্ষা লাভ করতে পারছি। তাদের আত্মত্যাগ আমাদের সকলের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

১৯৯৯ সালে, জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো) একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এর মাধ্যমে সারা বিশ্বে মাতৃভাষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তার প্রতি বার্তা প্রচার করা হয়।

শুধু বাংলাভাষার জন্য নয়, বরং বিশ্বের সকল মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই আমরা আজ এই দিবস পালন করি।

মাতৃভাষা শুধুমাত্র কথা বলার বা লেখার মাধ্যম নয়, বরং এটি আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জাতীয়তাবোধের載体।

এই দিবসে আমাদের সকলের কর্তব্য:

  • শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করা
  • মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া
  • মাতৃভাষা চর্চা ও রক্ষায় ভূমিকা রাখা
  • সকলের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া
  • বিশ্বের বৈচিত্র্যময় ভাষা সম্পদ রক্ষায় কাজ করা

মনে রাখতে হবে, মাতৃভাষা আমাদের পরিচয়ের মূল চাবিকাঠি। মাতৃভাষার প্রতি আমাদের দায়িত্বশীলতা ও শ্রদ্ধাশীল মনোভাবই আমাদের জাতিকে আরও ঐক্যবদ্ধ ও সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করবে।

দ্রুত চিকন হওয়ার ওষুধ DETOXI SLIM কিনতে এখনই ক্লিক করুন

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: এক অटুট বন্ধন

২১ ফেব্রুয়ারি, এক দিন যা বাঙালির ইতিহাসে চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। এই দিনটি আমরা একাধারে মহান শহীদ দিবসআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করি।

১৯৫২ সালের এই দিনে, মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে নিরস্ত্র ছাত্রদের উপর নির্মম গুলিবর্ষণ করেছিল পাকিস্তানি বাহিনী। রফিক, জব্বার, শফিউর, সালাম, বরকত – অজস্র শহীদের রক্তে ভেজা হয়েছিল সেই ঢাকার মাটি। তাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমেই বাংলা ভাষা পেয়েছিল যার মর্যাদা।

১৯৯৯ সালে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

এর মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে মনে করিয়ে দেওয়া হল মাতৃভাষার গুরুত্ব ও শহীদদের ত্যাগ।

শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের মনে জাগিয়ে তোলে ভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও মাতৃভাষার প্রতি অটুট ভালোবাসা।

তাদের ত্যাগই আমাদের অনুপ্রাণিত করে মাতৃভাষা বাংলাকে সমৃদ্ধ ও উন্নত করার জন্য কাজ করতে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধু একটি দিন পালনের নয়, বরং এটি একটি প্রতিজ্ঞার দিন।

আমাদের প্রতিজ্ঞা:

  • শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে মাতৃভাষা বাংলাকে লালন-পালন করা।
  • সকলের ভাষার অধিকার রক্ষা করার জন্য কাজ করা।
  • বিশ্ববাসীর কাছে বাংলা ভাষার সৌন্দর্য ও সমৃদ্ধি তুলে ধরা।

২১ ফেব্রুয়ারি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, ভাষা কেবল শব্দের সমষ্টি নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জাতীয়

পরিচয়ের প্রতীক। মাতৃভাষার প্রতি আমাদের অটুট ভালোবাসা ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনই হোক এই দিবসের সার্থক পরিণতি।

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

২১শে ফেব্রুয়ারি, একই সাথে আমাদের জাতির ইতিহাসে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।

  • মহান শহীদ দিবস: ১৯৫২ সালের এই দিনে, আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ঢাকার ছাত্ররা পাকিস্তানি পুলিশের গুলিতে নিহত হন। রফিক, জব্বার, শফিউর, সালাম, বরকত – এই বীর শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের মনে চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: তাদের আত্মত্যাগের স্মরণে, ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘ ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

এই দিন আমাদের মনে করিয়ে দেয়:

  • মাতৃভাষার গুরুত্ব: ভাষা শুধুমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং জাতীয় পরিচয়ের載体।
  • ভাষা আন্দোলনের ত্যাগ: শহীদদের আত্মত্যাগ ছিল মাত্র বাংলার জন্য নয়, বরং সকল নিপীড়িত ভাষাভাষী মানুষের জন্য।
  • ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষা: বিশ্বে হাজার হাজার ভাষা বিদ্যমান, এই দিন আমাদের সকল ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার এবং ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষার প্রতিজ্ঞা নেওয়ার আহ্বান জানায়।

মহান শহীদদের স্মরণে এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে, আমরা সকলে প্রতিজ্ঞা করি:

  • আমাদের মাতৃভাষা বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করবো।
  • সকল ভাষাভাষী মানুষের ভাষাগত অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করবো।
  • বিশ্বে শান্তি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবো।

এই মহান দিনটি আমাদের সকলের জন্য অনুপ্রেরণা হোক।

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

২১শে ফেব্রুয়ারী, একই সাথে আমাদের জাতির ইতিহাসে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

ভাষা আন্দোলন

১৯৫২ সালের এই দিনে, আমাদের মাতৃভাষা বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য শহীদ হয়েছিলেন রফিক, জব্বার, সালাম, বাসন্তী,

ছাত্র, শ্রমিক, সাধারণ মানুষ। তাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমেই বাংলা ভাষা পেয়েছিল রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

এই ভাষা আন্দোলনের প্রেरणায়, ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো)

২১শে ফেব্রুয়ারীকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

ভাষার গুরুত্ব

ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক।

মাতৃভাষার মাধ্যমেই আমরা আমাদের চিন্তা-ভাবনা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে পারি।

শহীদদের স্মরণ

আজকের দিনে আমাদের কর্তব্য হলো শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করা এবং তাদের অমूल्य ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। আমাদের মনে রাখতে হবে, তাদের রক্তের বিনিময়ে প্রাপ্ত এই মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষাই আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

ভাষাচর্চা

আমাদের মাতৃভাষা বাংলা ভাষার যথাযথ চর্চা করা উচিত। নবীন প্রজন্মকে বাংলা ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল

ও দক্ষ করে তোলার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

শেষ কথা

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের জাতির ইতিহাসে গৌরবময় অধ্যায়। এই দিন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, আমাদের মাতৃভাষার জন্য কত মূল্যবান জীবন বিসর্জন দিতে হয়েছে। আসুন আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা করি, আমাদের মাতৃভাষা বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ ও ঐশ্বর্যশালী করে তুলব।

 পড়ুন: ছেলেদের কাম শক্তি বৃদ্ধির হোমিও ঔষধ

আরও পড়ুন: লিংগ উত্থান সমস্যার সমাধান ঔষধ

আরও পড়ুন: দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি – মেয়েদের

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস অনুচ্ছেদ”

Your email address will not be published. Required fields are marked *