Sale!

২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

Original price was: 3,000.00৳ .Current price is: 1,150.00৳ .

<h2>সরাসরি কিনতে ফোন করুন:”color: #0000ff;”> 01622913640

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !&amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;lt;/p&amp;amp;gt;&amp;amp;lt;p&amp;amp;gt;&amp;amp;gt;&amp;amp;gt; ডেলি

ভারি

খরচ ঢাকার মধ্যে 60 ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !</p>

&gt;প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক কর

ে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !</p>

<p>>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয়

করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !&lt;/p>

983 in stock

Description

২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস । হ্যাঁ, ২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়।

২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

এই দিবসটি ১৯৫২ সালের ঢাকায় মাতৃভাষার জন্য প্রাণ হারানো শহীদদের স্মরণে পালিত হয়।

ইতিহাস:

  • ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ঢাকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে।
  • পুলিশ গুলি চালিয়ে রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত এবং রফিকসহ বেশ কয়েকজন ছাত্রকে হত্যা করে।
  • এই ঘটনা বাঙালি জাতীয়তাবাদের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:

  • ১৯৯৯ সালে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
  • এই দিবসটি বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হয়।

গুরুত্ব:

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের মাতৃভাষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করে তোলে।
  • এটি বহুভাষিকতা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করে।
  • বিশ্বব্যাপী ভাষা বিলুপ্তির হুমকি মোকাবেলায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বাংলাদেশে:

  • বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস জাতীয় শোক ও শ্রদ্ধাঞ্জলির দিন হিসেবে পালিত হয়।
  • সারা দেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে শহীদদের স্মরণে মিলনায়তন, শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আলোচনা সভা।
  • এই দিনটি বাঙালিদের জন্য একটি গর্ব ও ঐক্যের প্রতীক।

উপসংহার:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধু একটি দিবস পালনের চেয়েও বেশি। এটি একটি আন্দোলন যা বিশ্বব্যাপী ভাষাগত ন্যায়বিচার ও বৈচিত্র্যের প্রচার করে।

আমাদের সকলের উচিত এই দিবসটি পালন করা এবং আমাদের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করা।

২১ শে ফেব্রুয়ারি: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

শ্রদ্ধাঞ্জলি, স্মরণ, এবং প্রেরণার এক অমর দিন

ইতিহাসের পটভূমি:

১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি, তৎকালীন পাকিস্তান সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা রাস্তায় নেমে আসে। তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ গুলি চালায় এবং রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত, এবং রফিউজ্জামানসহ বেশ কয়েকজন নিহত হয়।

এই ঘটনা ভাষা আন্দোলনের সূচনা করে, যা শেষ পর্যন্ত ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় পর্যবসিত হয়।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর, ইউনেস্কো ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

গুরুত্ব:

এই দিবস আমাদের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জ্ঞাপন করার সুযোগ করে দেয়। মাতৃভাষা শুধু একটি ভাষা নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, এবং পরিচয়ের প্রতীক।

উদযাপন:

বাংলাদেশে সরকারিভাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়। সারা দেশে শোকসভা, মিছিল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আমাদের কর্তব্য:

আমাদের সকলের উচিত আমাদের মাতৃভাষার প্রতি যত্নবান হওয়া এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এর গুরুত্ব তুলে ধরা।

শেষের কথা:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধু একটি দিবস পালনের চেয়ে অনেক বেশি। এটি আমাদের ভাষার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার, ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করার, এবং সকলের জন্য ভাষাগত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি নেওয়ার দিন।

এই দিবসে, আসুন আমরা আমাদের মাতৃভাষাকে সমৃদ্ধ করার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এর ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার জন্য একসাথে কাজ করি।

২১ শে ফেব্রুয়ারি: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস – বিস্তারিত আলোচনা

ভূমিকা:

২১ শে ফেব্রুয়ারি শুধু একটি দিন নয়, এটি ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গকারীদের স্মরণ, ভাষা আন্দোলনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং বিশ্বব্যাপী ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষার প্রতীজ্ঞার দিবস। আজকের এই আলোচনায় আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ইতিহাস, গুরুত্ব, আমাদের কর্তব্য এবং এর ব্যাপক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

ইতিহাসের পাতায়:

১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ঢাকার শিক্ষার্থীরা তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে। বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য এই আন্দোলন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত, সফিউরসহ অনেক শহীদের ত্যাগের বিনিময়ে বাংলা ভাষা পেয়েছিল রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:

১৯৯৯ সালে, বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনা করে, ইউনেস্কো ২১ শে ফেব্রুয়ারি কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই ঘোষণার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ভাষা আন্দোলন ও ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষার বার্তা জানানো হয়।

ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য:

  • ভাষার অধিকার: ভাষা আন্দোলন শুধুমাত্র বাংলা ভাষার জন্য লড়াই ছিল না, এটি ছিল মাতৃভাষায় শিক্ষা ও চাকরির অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই।
  • স্বাতন্ত্র্যের পথ: ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। এই আন্দোলনই বাঙালিদের স্বাধীনতা চেতনাকে জাগ্রত করেছিল এবং পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের পথ প্রশস্ত করেছিল।
  • মানবাধিকার: ভাষা আন্দোলন ছিল একটি মানবাধিকার আন্দোলন। এই আন্দোলন বিশ্বব্যাপী ভাষাগত অধিকার ও ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

আমাদের কর্তব্য:

  • ভাষা শহীদদের স্মরণ: আমাদের কর্তব্য হলো ভাষা শহীদদের ত্যাগ ও সেবা কে স্মরণ করা এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা।

হ্যাঁ, ২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

এই দিবসটি ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় মাতৃভাষার জন্য প্রাণ হারানো শহীদদের স্মরণে পালিত হয়।

ইতিহাস:

  • ১৯৫২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে।
  • ২১ ফেব্রুয়ারি, পুলিশ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি চালায়, রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত এবং রফিকসহ বেশ কয়েকজন নিহত হয়।
  • এই ঘটনা ভাষা আন্দোলনের সূচনা করে, যা শেষ পর্যন্ত ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় পর্যবসিত হয়।
  • ১৯৯৯ সালে, ইউনেস্কো ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

গুরুত্ব:

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশ্বব্যাপী ভাষাগত বৈচিত্র্য এবং বহুভাষিকতার গুরুত্ব উদযাপন করে।
  • এটি মাতৃভাষার অধিকার রক্ষা এবং ভাষাগত বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য একটি স্মরণচিহ্ন।
  • প্রতি বছর, বিশ্বজুড়ে দেশগুলি এই দিবসটি বিভিন্ন অনুষ্ঠান, সেমিনার এবং কর্মশালায় পালন করে।

বাংলাদেশে:

  • বাংলাদেশে, ২১ শে ফেব্রুয়ারি একটি জাতীয় ছুটির দিন।
  • সারা দেশে এই দিবসটি শোক ও সম্মানের সাথে পালিত হয়।
  • ঢাকার কেন্দ্রস্থলে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের স্মরণ করা হয়।
  • বিভিন্ন স্কুল, কলেজ এবং প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আলোচনা সভা आयोजित করা হয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমাদের মাতৃভাষা আমাদের পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং মূল্যবোধকে বহন করে। আমাদের সকলের উচিত আমাদের মাতৃভাষা শেখা, লালন করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে প্রেরণা হিসেবে তুলে ধরা।

আপনার কি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সম্পর্কে আরও কিছু জানতে চান?

২১ শে ফেব্রুয়ারি: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

বাঙালির গর্ব, বিশ্বের সম্মান:

২১ শে ফেব্রুয়ারি শুধু একটি দিন নয়, এটি ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গকারীদের স্মরণ, ভাষা আন্দোলনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং বিশ্বব্যাপী ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষার প্রতীজ্ঞার দিবস।

ইতিহাসের পাতায়:

১৯৫২ সালের এই দিনে, তৎকালীন পাকিস্তান সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে ঢাকার শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসে। বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য তাদের এই আন্দোলন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত, সফিউরসহ অনেক শহীদের ত্যাগের বিনিময়ে বাংলা ভাষা পেয়েছিল রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:

১৯৯৯ সালে, বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনা করে, ইউনেস্কো ২১ শে ফেব্রুয়ারি কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই ঘোষণার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ভাষা আন্দোলন ও ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষার বার্তা জানানো হয়।

আমাদের কর্তব্য:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধু স্মরণ ও শ্রদ্ধাঞ্জলির দিবসে সীমাবদ্ধ থাকলেই হবে না। আমাদের প্রত্যেকের কর্তব্য হলো আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকে সমৃদ্ধ করা, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এর গুরুত্ব তুলে ধরা এবং বিশ্বব্যাপী ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখা।

এই দিবসে আমরা:

  • ভাষা শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে পারি।
  • মাতৃভাষা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চায় অংশগ্রহণ করতে পারি।
  • বিশ্বের বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারি।
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারি।

শেষ কথা:

ভাষা আমাদের চিন্তা-ভাবনার বাহন, সংস্কৃতির載体, এবং জাতিসত্তার প্রতীক। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারীদের ত্যাগকে আমাদের স্মরণে রাখতে হবে এবং আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকে সমৃদ্ধ ও

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুভেচ্ছা!

 আ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম/ আ দিয়ে মেয়েদের  ইসলামিক নাম

২১ শে ফেব্রুয়ারি: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস – বিস্তারিত আলোচনা

ভূমিকা:

২১ শে ফেব্রুয়ারি শুধু একটি দিন নয়, এটি ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গকারীদের স্মরণ, ভাষা আন্দোলনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং বিশ্বব্যাপী ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষার প্রতীজ্ঞার দিবস।

ইতিহাসের পাতায়:

  • ১৯৫২ সালের悲劇: তৎকালীন পাকিস্তান সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে ঢাকার শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসে।
  • ভাষা আন্দোলন: বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য শুরু হয় তীব্র আন্দোলন।
  • রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত, সফিউরসহ অনেক শহীদের ত্যাগের বিনিময়ে বাংলা ভাষা পায় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:

  • ১৯৯৯ সাল: ইউনেস্কো ২১ শে ফেব্রুয়ারি কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
  • বিশ্বব্যাপী প্রভাব: ভাষা আন্দোলন ও ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষার বার্তা জানানো হয়।

আমাদের কর্তব্য:

  • ভাষা শহীদদের স্মরণ: তাদের ত্যাগ ও আত্মত্যাগকে স্মরণে রাখা।
  • মাতৃভাষা চর্চা: বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ।
  • ভাষা বৈচিত্র্য রক্ষা: বিশ্বের বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানা ও সম্মান করা।
  • আন্তর্জাতিক দিবস পালন: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ।

উদাহরণ:

  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে: ভাষা শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ইত্যাদি আয়োজন করা।
  • সমাজে: ভাষা-ভিত্তিক বৈষম্য দূরীকরণে সচেতনতা বৃদ্ধি, সকল ভাষার প্রতি সম্মান প্রদর্শন, বহুভাষিকতাকে উৎসাহিত করা।
  • ব্যক্তিগতভাবে: মাতৃভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলা ও লেখার চেষ্টা করা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় অংশগ্রহণ, ভাষা শেখার প্রতি আগ্রহী হওয়া।

বিবরণ:

  • ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য: শুধু ভাষার জন্য আন্দোলন ছিল না, এটি ছিল স্বাধীনতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।
  • আন্তর্জাতিক প্রভাব:

পড়ুন: লম্বা হওয়ার দোয়া, যে দোয়ার মাধ্যমে লম্বা হওয়া যায়

আরও পড়ুন: দীর্ঘ সময় মিলন করার ইসলামিক পদ্ধতি

আরও পড়ুন: মেয়েদের যৌন উত্তেজক ট্যাবলেটের নাম

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস”

Your email address will not be published. Required fields are marked *