Sale!

বৈশাখী মেলা । বৈশাখী মেলা নিয়ে কবিতা

Original price was: 2,900.00৳ .Current price is: 1,950.00৳ .

<h2>সরাসরি কিনতে ফোন করুন:style=”color: #0000ff;”> 01622913640

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে 60 ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

979 in stock

Description

বৈশাখী মেলা । বৈশাখী মেলা বা বাংলা নববর্ষের মেলা বাঙালিদের ঐতিহ্যবাহী উৎসব। এটি প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ (বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন) উদযাপন করার জন্য আয়োজিত হয়।

বৈশাখী মেলা

বৈশাখী মেলার ইতিহাস:

ড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

বৈশাখী মেলার ইতিহাস বেশ পুরনো। মনে করা হয়, মধ্যযুগে থেকেই বাংলায় এই মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রাচীনকালে, এই মেলাগুলি কৃষিজ উৎপাদনের উদযাপন এবং নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানাতে ছিল। সময়ের সাথে সাথে, এই মেলাগুলি আরও বড় এবং আরও জটিল হয়ে উঠেছে এবং এখন এটি বাংলা সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বৈশাখী মেলার আকর্ষণ:

বৈশাখী মেলায় বিভিন্ন ধরণের আকর্ষণ থাকে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • ঐতিহ্যবাহী খাবার: পান্তাভাত, ইলিশ মাছ, চিটাগুড়, নারকেলের নাড়ু, জিলাপি ইত্যাদি।
  • সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: গান, নাচ, নাটক, পুতুল নাচ ইত্যাদি।
  • খেলাধুলা: কুস্তি, কাবুলিওয়ালা, নৌকা বাইচ ইত্যাদি।
  • হস্তশিল্প: মৃৎশিল্প, বাঁশের কাজ, থ্রি-পিস ইত্যাদি।
  • রোমাঞ্চকর যাত্রা: নাগরদোলা, হুলোচকর, রোলার কোস্টার ইত্যাদি।

বাংলাদেশে বৈশাখী মেলার কিছু জনপ্রিয় স্থান:

  • ঢাকা: রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রমনা কৃষ্ণকালী মন্দির

  • চট্টগ্রাম: মোহররি পার্ক, ফৌজদারহাট, জামাল হাট।

  • রাজশাহী: বড়দিঘি পার্ক, শহীদ মিনার, বানিয়াপোল

  • সিলেট: জিন্দাবহার, কান্দাঘাট, শ্রীমঙ্গল

  • ময়মনসিংহ: ত্রিশাল, নবীগঞ্জ, গৌরনদী

বৈশাখী মেলা বাংলা সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বৈশাখী মেলা বা বাংলা নববর্ষের মেলা বাঙালিদের ঐতিহ্যবাহী উৎসব পহেলা বৈশাখের একটি অন্যতম আকর্ষণ। বাংলাদেশ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাঙালিরা এই মেলা আয়োজন করে থাকে।

ঢাকার রমনা পার্কে বৈশাখী মেলার ঐতিহ্যবাহী আয়োজন সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয়। এই মেলায় ঐতিহ্যবাহী খাবার, পোশাক, হস্তশিল্প, বিনোদন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের এক অপূর্ব সমাহার দেখা যায়।

বৈশাখী মেলার কিছু আকর্ষণ:

  • ঐতিহ্যবাহী খাবার: পান্তাভাত, ইলিশ ভাজা, হilsa,
  • পোশাক: নতুন শাড়ি, পাঞ্জাবি, লুঙ্গি
  • হস্তশিল্প: মৃৎশিল্প, কাঠের কাজ, বাঁশের কাজ, নকশি কাঁথা
  • বিনোদন: নাটক, গান, নাচ,
  • সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: মঙ্গল শোভাযাত্রা, নৌকা বাইচ, ঘুড়ি উড়ানো

বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসবই নয়, এটি বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অমূল্য সম্পদ। প্রতি বছর এই মেলা বাঙালিদের ঐক্য ও বন্ধুত্বের বার্তা বহন করে।

কিছু বিখ্যাত বৈশাখী মেলা:

  • ঢাকা, বাংলাদেশ: রমনা পার্ক
  • নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র:
  • লন্ডন, যুক্তরাজ্য:
  • টরন্টো, কানাডা:
  • সিডনি, অস্ট্রেলিয়া:

আপনি যদি বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হন, তাহলে অবশ্যই একবার বৈশাখী মেলায় যান।

বৈশাখী মেলা

বাংলা নববর্ষের একটি উৎসব যা বাংলাদেশ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং বিশ্বের অন্যান্য স্থানে বসবাসকারী বাঙালিদের দ্বারা পালিত হয়। এটি বর্ষপঞ্জির প্রথম দিন, যা সাধারণত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে হয়।

বৈশাখী মেলা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খাবার এবং কেনাকাটার এক উৎসব। মেলায় সাধারণত নৃত্য, সঙ্গীত, নাটক এবং অন্যান্য পারফর্ম্যান্স অন্তর্ভুক্ত থাকে। লোকেরা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে এবং বিশেষ খাবার খায়, যার মধ্যে রয়েছে পান্তা ভাত (পানিতে ভেজানো ভাত) এবং ইলিশ মাছ। মেলায় বিভিন্ন ধরণের দোকান থাকে যেখানে লোকেরা পোশাক, গহনা, হস্তশিল্প এবং অন্যান্য জিনিসপত্র কিনতে পারে।

বাঙালি সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বৈশাখী মেলা । এটি নববর্ষের আগমন উদযাপন করার এবং পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে একসাথে আনন্দ করার সময়।

ঢাকায় বৈশাখী মেলার কিছু জনপ্রিয় স্থান:

  • রমনা পার্ক: এটি ঢাকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি বড় পার্ক। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রমনা পার্কে একটি বড় মেলা অনুষ্ঠিত হয়। মেলায় নৃত্য, সঙ্গীত, নাটক, খেলাধুলা এবং আরও অনেক কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকে।
  • সোহরাওয়ার্দী উদ্যান: এটি আরেকটি বড় পার্ক যা ঢাকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি মেলাও অনুষ্ঠিত হয়। মেলাটি রমনা পার্কের মেলার অনুরূপ।
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে একটি মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করে। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয় এবং শহরের মধ্য দিয়ে যায়।
  • বাংলা একাডেমি: বাংলা একাডেমি প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানটিতে নৃত্য, সঙ্গীত, কবিতা পাঠ এবং আরও অনেক কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকে।
  • শিল্পকলা একাডেমি: শিল্পকলা একাডেমি প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে একটি শিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন করে। প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের শিল্পীদের চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য এবং অন্যান্য শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়।

মেলা বা বৈশাখের মেলা হলো বাঙালিদের ঐতিহ্যবাহী নববর্ষ উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত একটি জনপ্রিয় মেলা। বাংলাদেশ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাঙালিদের দ্বারা এই মেলা আয়োজিত হয়।

ইতিহাস:

মেলার ইতিহাস বেশ পুরনো। মনে করা হয়, মোগল সম্রাট আকবরের সময় থেকেই বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে এই মেলা আয়োজিত হয়ে আসছে। ঐ সময় বাংলার কৃষকরা চৈত্র মাসের শেষ দিন পর্যন্ত জমিদার, তালুকদার এবং অন্যান্য ভূস্বামীদের খাজনা পরিশোধ করত। মেলা ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো এ উপলক্ষে। পরবর্তী সময়ে বৈশাখ উপলক্ষে যে মেলার আয়োজন করা হতো, সে মেলাকে ‘বৈশাখী মেলা’ নামে নামকরণ করা হয়।

বৈশিষ্ট্য:

বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • নানা রকমের খাবার: বৈশাখী মেলায় বিভিন্ন ধরণের সুস্বাদু খাবার পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে পান্তাভাত, ইলিশ ভাজা, হilsa, chitol, mangsho, মিষ্টি, এবং আরও অনেক কিছু।
  • সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: মেলায় নানা রকমের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে গান, বাজনা, নাচ, এবং থিয়েটার।
  • খেলাধুলা: মেলায় বিভিন্ন ধরণের খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে কাবাডি, খো-খো, এবং দৌড়।
  • হস্তশিল্পের প্রদর্শনী: মেলায় বিভিন্ন ধরণের হস্তশিল্পের প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়। এখান থেকে দর্শকরা তাদের পছন্দের জিনিসপত্র কিনতে পারেন।
  • আতশবাজি: মেলার শেষে আতশবাজি ফোটানো হয়।

বাংলাদেশের বাইরে বৈশাখী মেলা:

বাংলাদেশের বাইরেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাঙালিরা বৈশাখী মেলা আয়োজন করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • যুক্তরাষ্ট্র: নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, এবং টরন্টোতে প্রতি বছর বড় আকারে বৈশাখী মেলা আয়োজিত হয়।
  • যুক্তরাজ্য: লন্ডন এবং ম্যানচেস্টারেও প্রতি বছর বৈশাখী মেলা আয়োজিত হয়।
  • কানাডা: টরন্টো এবং ভ্যাঙ্কুভারেও প্রতি বছর বৈশাখী মেলা আয়োজিত হয়।

উপসংহার:

বাঙালিদের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতিফলন বৈশাখী মেলা । এই মেলা বাঙালিদের মধ্যে ঐক্য ও বন্ধুত্ব বৃদ্ধিতে ।

বৈশাখী মেলা নিয়ে কবিতা

## বৈশাখী মেলা

নববর্ষের আনন্দে মুখরিত ধরণী,
বৈশাখী মেলায় মন উজ্জ্বল, হৃদয় হরিণী।

আকাশে উড়ছে রঙিন পতাকা,
মাটিতে ঝলমলে নতুন ফসলের আকা।

চারপাশে ভিড়, হইচই, গানের algarabia,
খাবারের সুবাসে মাতোয়ারা সকল মানুষের জাতি।

নানা রকমের খেলাধুলা, মজার খেলা,
সবাই মিলে আনন্দ করে, ভুলে যায় সকল বেদনা।

মেয়েদের নতুন শাড়ি, গয়না, রূপের আভা,
ছেলেদের নতুন জামাকাপড়, মুখে হাসির আভা।

শিল্পীদের গান, নাচ, অভিনয়ের জমকালো প্রদর্শন,
মন ছুঁয়ে যায় সকলের, করে মুগ্ধ সকলের মন।

বৈশাখী মেলা, এক অপূর্ব অনুভূতি,
সকলের মনে জাগায় নতুন আশা, নতুন স্পৃহা।

এই মেলা শুধু আনন্দেরই উৎসব নয়,
এটি আমাদের ঐক্য ও বন্ধুত্বেরও প্রতীক।

আসুন আমরা সকলে মিলে এই মেলায় অংশগ্রহণ করি,
এবং বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করি।

কবিতাটিতে বৈশাখী মেলার কিছু উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরা হয়েছে:

নববর্ষের আনন্দে মুখরিত পরিবেশ
রঙিন পতাকা, নতুন ফসল, খাবারের সুবাস
নানা রকমের খেলাধুলা, মজার খেলা
মেয়েদের নতুন শাড়ি, গয়না, ছেলেদের নতুন জামাকাপড়
শিল্পীদের গান, নাচ, অভিনয়
ঐক্য ও বন্ধুত্বের প্রতীক

এই কবিতাটি বৈশাখী মেলার আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশের এক চমৎকার চিত্র তুলে ধরে।

পড়ুনঃম্যাজিক কনডম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ দ্রুত চিকন হওয়ার ওষুধ DETOXI SLIM কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ আ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম/ আ দিয়ে মেয়েদের  ইসলামিক নাম

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “বৈশাখী মেলা । বৈশাখী মেলা নিয়ে কবিতা”

Your email address will not be published. Required fields are marked *