Sale!

বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর ভাব সম্প্রসারণ

Original price was: 2,900.00৳ .Current price is: 2,050.00৳ .

<h2>সরাসরি কিনতে ফোন করুন:=”color: #0000ff;”> 01622913640

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে 60 ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

983 in stock

Description

বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর ভাব সম্প্রসারণ । কাজী নজরুল ইসলাম রচিত এই অসাধারণ কবিতাটিতে, কবি বিশ্বের সকল মহান সৃষ্টির কথা বলেছেন, যা “চির কল্যাণকর” বা সর্বদা মানবজাতির জন্য মঙ্গল বয়ে আনে।

বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর ভাব সম্প্রসারণ

কবিতার ভাব:

  • মহান সৃষ্টির প্রশংসা: কবি প্রকৃতির সৌন্দর্য, নারী-পুরুষের সৃজনশীলতা, এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের অগ্রগতির মতো মহান সৃষ্টির প্রশংসা করেছেন।

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

  • মানবজাতির উপর প্রভাব: কবি বিশ্বাস করেন যে এই সকল সৃষ্টি মানবজাতির জীবনকে সমৃদ্ধ করে এবং উন্নত করে তোলে।
  • সৃষ্টির মাধ্যমে ঈশ্বরের প্রকাশ: কবি মনে করেন যে এই সকল সৃষ্টি ঈশ্বরের সৃষ্টি এবং তাঁর মহিমা প্রকাশ করে।
  • কল্যাণের পথ: কবি বিশ্বাস করেন যে সৃষ্টিশীলতা ও জ্ঞানের মাধ্যমে মানুষ সুখ ও সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারে।

ভাব সম্প্রসারণ:

  • সৃষ্টিশীলতার গুরুত্ব: কবিতাটি আমাদের সৃষ্টিশীল হওয়ার এবং নতুন কিছু তৈরি করার জন্য অনুপ্রাণিত করে।
  • জ্ঞান অর্জনের প্রয়োজনীয়তা: জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে আমরা বিশ্ব সম্পর্কে আরও ভালভাবে বুঝতে পারি এবং নিজেদের উন্নত করতে পারি।
  • সৌন্দর্য উপভোগ: প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করা আমাদের মনকে প্রশান্ত করে এবং জীবনে আনন্দ আনে।
  • মানবজাতির ঐক্য: নারী ও পুরুষ উভয়েরই সমান অবদান রয়েছে যা বিশ্বকে আরও ভালো জায়গা করে তোলে।
  • কৃতজ্ঞতার ভাব: ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা এবং তাঁর সৃষ্টিকে মূল্য দেওয়া উচিত।

উপসংহার:

“বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর” কবিতাটি আমাদের জীবনে অনুপ্রেরণা জাগায় এবং আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয় যে আমাদের চারপাশে অনেক সুন্দর জিনিস রয়েছে যার জন্য আমাদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।

কিছু প্রশ্ন চিন্তাভাবনার জন্য:

  • আপনার মতে, বিশ্বের কোন সৃষ্টিগুলি সবচেয়ে মহান?
  • এই সৃষ্টিগুলি আপনার জীবনে কীভাবে প্রভাব ফেলেছে?
  • আপনি কিভাবে বিশ্বকে আরও ভালো জায়গা করে তুলতে পারেন?

 

বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি, চির কল্যাণকর: ভাব সম্প্রসারণ

কাজী নজরুল ইসলামের এই বিখ্যাত কবিতাটিতে, তিনি ঘোষণা করেন যে বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি, তা চির কল্যাণকর। নারী ও পুরুষ, উভয়ের অবদানেই এই মহান সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে।

এই কবিতাটির মাধ্যমে নজরুল ইসলাম নারী ও পুরুষের সমান অধিকার ও মর্যাদার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, নারী ও পুরুষ উভয়েই সমাজের সমান সদস্য এবং তাদের উভয়েরই সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

এই কবিতার ভাব সম্প্রসারণ করতে, আমরা নিম্নলিখিত বিষয়গুলি বিবেচনা করতে পারি:

  • নারী ও পুরুষের সমান অবদান: নজরুল ইসলাম স্পষ্ট করে বলেছেন যে, বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি, তার অর্ধেক করেছে নারী এবং অর্ধেক করেছে পুরুষ। এর অর্থ হল, নারী ও পুরুষ উভয়েই সমাজের উন্নয়নে সমানভাবে অবদান রেখেছে।
  • সহযোগিতা ও ঐক্য: নজরুল ইসলাম বিশ্বাস করতেন যে, নারী ও পুরুষের মধ্যে সহযোগিতা ও ঐক্য থাকলেই সমাজের উন্নয়ন সম্ভব। এই কবিতার মাধ্যমে তিনি নারী ও পুরুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
  • মানবতার কল্যাণ: নজরুল ইসলামের মতে, সকল সৃষ্টির উদ্দেশ্য হল মানবতার কল্যাণ করা। নারী ও পুরুষ উভয়েরই উচিত এমনভাবে কাজ করা যাতে সমাজের সকল মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।

নজরুল ইসলামের এই কবিতাটি আজও সমাজের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। এটি আমাদের নারী ও পুরুষের সমান অধিকার ও মর্যাদার কথা মনে করিয়ে দেয় এবং আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মানবতার কল্যাণে কাজ করার জন্য অনুপ্রাণিত করে।

এই কবিতার ভাব সম্প্রসারণের জন্য আরও কিছু বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে। যেমন:

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতিতে নারী ও পুরুষ উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
  • নারী ও পুরুষ উভয়ের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা বিশ্বকে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ করে তুলতে পারি।
  • শিল্প ও সংস্কৃতি: শিল্প ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী ও পুরুষ উভয়েই তাদের চিন্তাভাবনা ও অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে।
  • নারী ও পুরুষের সৃজনশীলতাই সমাজকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে।
  • পরিবেশ রক্ষা: পরিবেশ রক্ষায় নারী ও পুরুষ উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি, চির কল্যাণকর: ভাব সম্প্রসারণ

কবিতা:

বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি, চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।

অর্থ:

কবি নজরুল ইসলাম এই কবিতার মাধ্যমে বার্তা দিচ্ছেন যে, পৃথিবীর সকল মহান সৃষ্টির পেছনে নারী ও

পুরুষ উভয়েরই সমান অবদান রয়েছে।

বিশ্লেষণ:

  • মহান সৃষ্টি: এখানে কবি শুধুমাত্র भौतिक সৃষ্টির কথা বলছেন না, বরং বুদ্ধি, জ্ঞান, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সভ্যতা ইত্যাদির মতো অমূর্ত সৃষ্টির কথাও বলছেন।
  • চির কল্যাণকর: এই সৃষ্টিগুলো কেবল সুন্দর ও আকর্ষণীয়ই নয়, বরং মানবজাতির জন্য কল্যাণকরও বটে।
  • নারী ও পুরুষের অবদান: কবি বিশ্বাস করেন যে, নারী ও পুরুষ উভয়েরই সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নারীরা তাদের সৃজনশীলতা, মাতৃত্ববোধ, সহানুভূতি, ধৈর্য্য ইত্যাদি গুণাবলীর মাধ্যমে পৃথিবীকে আরও সুন্দর ও বাসযোগ্য করে তোলে। পুরুষরা তাদের শারীরিক শক্তি, বুদ্ধিমত্তা, নেতৃত্বের গুণাবলী ইত্যাদি ব্যবহার করে সমাজের অগ্রগতিতে অবদান রাখে।
  • সমতা ও সহযোগিতা: কবিতাটি নারী ও পুরুষের মধ্যে সমতা ও সহযোগিতার বার্তা দেয়।
  • কবি মনে করেন যে, সমাজের উন্নয়নের জন্য নারী ও পুরুষ উভয়কেই একে অপরের সাথে সহযোগিতা করতে হবে।

উপসংহার:

নজরুল ইসলামের এই কবিতাটি নারী ও পুরুষের সমান অধিকার ও মর্যাদার পক্ষে একটি শক্তিশালী বক্তব্য। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, পৃথিবীর সকল মহান সৃষ্টির পেছনে নারী ও পুরুষ উভয়েরই সমান অবদান রয়েছে এবং সমাজের উন্নয়নের জন্য তাদের একে অপরের সাথে সহযোগিতা করতে হবে।

আরও কিছু চিন্তা:

  • কবি কি কি ধরণের “মহান সৃষ্টি”র কথা উল্লেখ করছেন?
  • আপনি কি মনে করেন নারী ও পুরুষের সমাজে ভূমিকা সমান? কেন/কেন না?
  • নারী ও পুরুষ কীভাবে একে অপরের সাথে আরও ভালোভাবে সহযোগিতা করতে পারে?

 পড়ুনঃ  ব্রা – প্যান্টি কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ মেয়েদের যোনি টাইট করার ক্রিম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ  ম দিয়ে ছেলেদের নাম / ম দিয়ে ছেলেদের  ইসলামিক নাম

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর ভাব সম্প্রসারণ”

Your email address will not be published. Required fields are marked *