Sale!

অষ্টম শ্রেণির দুই বিঘা জমি

Original price was: 2,900.00৳ .Current price is: 2,050.00৳ .

<h2>সরাসরি কিনতে ফোন করুন:<span style=”color: #0000ff;”&amp;amp;amp;amp;gt; 01622913640</span>

&gt;> সারাদেশে ক্যাশ

অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে 60 ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !</p></p>

<p><p>&amp

;gt;প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>&gt; ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !&lt;/p></p>

982 in stock

SKU: (45) জিনসিন ট্যাবলেট Category: Tag:

Description

অষ্টম শ্রেণির দুই বিঘা জমি । কবিতার সংক্ষিপ্তসার: “দুই বিঘা জমি” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি কাহিনী কবিতা যা গ্রামবাংলার শ্রেণীবিভেদ, দারিদ্র্য, নির্যাতন এবং একজন সাধারণ মানুষের জমি রক্ষার লড়াইয়ের চিত্র তুলে ধরে।

অষ্টম শ্রেণির দুই বিঘা জমি

কাহিনী:

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনইক্লিক করুন

কবিতার মূল চরিত্র উপেন, একজন দরিদ্র কৃষক যার দুই বিঘা জমি রয়েছে। জমিদার জোর করে উপেনের জমি দখল করার চেষ্টা করে। উপেন আইনি লড়াই করে, কিন্তু জমিদারের প্রভাব ও সম্পদের কারণে হেরে যায়।

উপেন হতাশ হয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তার স্ত্রী ফুলমণি তাকে সাহস যোগায় এবং তাকে জমি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য আবারও লড়াই করতে উৎসাহিত করে।

অবশেষে, গ্রামের মানুষ উপেনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয় এবং জমিদারকে পরাজিত করে। উপেন তার জমি ফিরে পায় এবং ন্যায়বিচার বিজয়ী হয়।

কবিতার তাৎপর্য:

“দুই বিঘা জমি” শুধু একটি জমির লড়াইয়ের গল্প নয়, বরং এটি নিপীড়িত মানুষের প্রতিবাদ, ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষা এবং মানবিক মর্যাদার জয়ের প্রতীক।

অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে:

“দুই বিঘা জমি” বাংলাদেশের অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ। শিক্ষার্থীরা এই কবিতা পড়ে গ্রামবাংলার সমাজ ব্যবস্থা, শ্রেণীবিভেদ, দারিদ্র্য, আইনি ব্যবস্থা, এবং মানুষের অধিকার সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করে।

কবিতার মূল ভাব:

  • শক্তিশালীদের বিরুদ্ধে দুর্বলের লড়াই
  • ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষা
  • মানবিক মর্যাদার জয়
  • গ্রামবাংলার সমাজ ব্যবস্থা
  • শ্রেণীবিভেদ ও দারিদ্র্যের চিত্র

শেষ কথা:

“দুই বিঘা জমি” বাংলা সাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অসাধারণ দক্ষতায় গ্রামবাংলার মানুষের জীবন ও সংগ্রামকে তুলে ধরেছেন। এই কবিতা শুধু শিক্ষার্থীদের জন্যই নয়, বরং সকল পাঠকের জন্য অনুপ্রেরণা ও শিক্ষার উৎস।

আমি আশা করি এই তথ্য আপনার জন্য সহায়ক হবে। আপনার যদি আরও কোন প্রশ্ন থাকে, তাহলে নির্দ্বিধায় জিজ্ঞাসা করুন।

অষ্টম শ্রেণির “দুই বিঘা জমি”

রচয়িতা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কবিতার বিষয়বস্তু:

এই কবিতায় গ্রামবাংলার দুঃখী কৃষক রফিকের জমি জোর করে দখল করার ঘটনা চিত্রিত করা হয়েছে। রফিকের দুই বিঘা জমি ছিল তার একমাত্র সম্বল। কিন্তু ধনী জমিদার জোর করে তার জমি দখল করে নেয়। রফিক আইনি লড়াই করে জমি ফিরে পেতে চায়। কিন্তু ধনী জমিদারের প্রভাবের কারণে সে হেরে যায়। হতাশায় রফিক আত্মহত্যা করে।

কবিতার প্রধান চরিত্র:

  • রফিক: একজন গরিব কৃষক, যার দুই বিঘা জমি জোর করে দখল করা হয়।
  • জমিদার: ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি, যে রফিকের জমি দখল করে।
  • ফকির: রফিকের বন্ধু, যে তাকে আইনি লড়াইয়ে সাহায্য করে।
  • মণি: রফিকের স্ত্রী।

কবিতার তাৎপর্য:

এই কবিতায় গ্রামবাংলার দরিদ্র মানুষের উপর শোষণ ও অত্যাচারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়াও, আইনের দুর্বলতা এবং ধনীদের প্রভাবের বিরুদ্ধে লড়াই করার অসহায়ত্বও ফুটে উঠেছে।

কবিতার শিক্ষা:

এই কবিতা আমাদের শিক্ষা দেয় যে, সমাজে সকলের অধিকার সমান। ধনী ও দরিদ্র সকলেরই আইনের আশ্রয় নেওয়ার অধিকার আছে। আইনের দুর্বলতার কারণে আমাদের কখনো হতাশ হওয়া উচিত নয়। বরং, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে যেতে হবে।

অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে “দুই বিঘা জমি”

এই কবিতাটি অষ্টম শ্রেণির বাংলা পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত। শিক্ষার্থীরা এই কবিতা পড়ে এর বিষয়বস্তু, চরিত্র, তাৎপর্য এবং শিক্ষা সম্পর্কে জানতে পারে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন:

  • রফিকের জমি কেন জোর করে দখল করা হয়েছিল?
  • রফিক কীভাবে তার জমি ফিরে পেতে চেষ্টা করেছিল?
  • রফিকের আত্মহত্যার কারণ কী ছিল?
  • এই কবিতার তাৎপর্য কী?
  • এই কবিতা থেকে আমরা কী শিক্ষা পেতে পারি?

অষ্টম শ্রেণির “দুই বিঘা জমি” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি অমর কবিতা।

এই কবিতায়, আমরা গ্রামবাংলার এক দরিদ্র কৃষক, রফিকের জমি হারানোর বেদনাদায়ক গল্প পাই। জমিদার মহেন্দ্র সিংহের অত্যাচার ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে রফিক তার দুই বিঘা জমি হারিয়ে ফেলে।

কবিতার মূল বিষয়বস্তু:

  • শোষণ ও নির্যাতন: জমিদার মহেন্দ্র সিংহ রফিক ও তার পরিবারের উপর নির relentles ষণ ও অত্যাচার করে।
  • অসহায়ত্ব: রফিক তার জমি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয় কারণ তার কাছে জমিদারের বিরুদ্ধে লড়াই করার কোনো ক্ষমতা নেই।
  • ন্যায়বিচারের অভাব: রফিক ন্যায়বিচারের জন্য আদালতে যায়, কিন্তু জমিদারের প্রভাব ও ক্ষমতার কাছে ন্যায়বিচার হেরে যায়।
  • মানবিক মর্যাদার পতন: জমি হারানোর পর রফিক ও তার পরিবার সমাজে তাদের মর্যাদা হারিয়ে ফেলে।
  • আশার আলো: কবিতার শেষে, আমরা আশার আলো দেখতে পাই যখন রফিকের ছেলে রহিম তার পিতার জমি ফিরিয়ে পেতে সংকল্পবদ্ধ হয়।

কবিতার তাৎপর্য:

  • “দুই বিঘা জমি” শুধুমাত্র একজন কৃষকের জমি হারানোর গল্প নয়, বরং এটি ঔপনিবেশিক যুগে ভারতীয় গ্রামীণ সমাজের শোষণ ও অন্যায়ের একটি প্রতিচ্ছবি।
  • এই কবিতা আমাদের সমাজে বিদ্যমান অসাম্য ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রেরণা জোগায়।
  • এটি আমাদের শেখায় যে, সত্য ও ন্যায়ের জন্য লড়াই করা, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা এবং আশা ছেড়ে না দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যক্রমে “দুই বিঘা জমি”

  • বাংলা পাঠ্যক্রমে “দুই বিঘা জমি” একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
  • শিক্ষার্থীরা এই কবিতা থেকে সাহিত্যকর্মের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করে।
  • কবিতার বিষয়বস্তু তাদের সমাজ সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট করে এবং তাদের মধ্যে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
  • “দুই বিঘা জমি” শুধু একটি কবিতা নয়, এটি একটি মূল্যবোধ শিক্ষা যা শিক্ষার্থীদের জীবনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার কি “দুই বিঘা জমি” সম্পর্কে আরও কিছু জানতে চান?

আপনি যদি কবিতাটির বিশ্লেষণ, চরিত্র, বিষয়বস্তু বা অন্য কোন দিক সম্পর্কে জানতে চান, আমাকে জিজ্ঞাসা করতে দ্বিধা করবেন না।

অষ্টম শ্রেণির ‘দুই বিঘা জমি’ : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অমর কবিতা

কবিতার সংক্ষিপ্তসার:

“দুই বিঘা জমি” কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা। এটি ‘চিত্রা’ নামক কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

এই কবিতায় কবি একজন দরিদ্র কৃষক, উপেন, এবং তার দুই বিঘা জমি কেন্দ্র করে গ্রামীণ বাংলার শ্রেণীবিভেদ ও জমিদারদের অত্যাচারের চিত্র তুলে ধরেছেন।

কবিতার মূল চরিত্র:

  • উপেন: একজন দরিদ্র, সৎ ও পরিশ্রমী কৃষক।
  • জমিদার: গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি, যিনি উপেনের জমি দখল করতে চান।
  • ফুলমণি: উপেনের স্ত্রী।
  • কৃষ্ণকান্ত: গ্রামের মুখোস্ত, জমিদারের দালাল।
  • কাজী: গ্রামের প্রধান, জমিদারের পক্ষে কাজ করে।

কাহিনী:

উপেনের দুই বিঘা জমি জমিদার চায়। জমিদারের দালাল কৃষ্ণকান্ত উপেনকে জমি বিক্রি করার জন্য চাপ দেয়। কিন্তু উপেন জমি বিক্রি করতে রাজি হয় না।

এরপর জমিদার বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে উপেনের জমি দখল করার চেষ্টা করে। জমিদারের প্রভাবে গ্রামের প্রধান কাজীও উপেনের বিরুদ্ধে যায়।

অবশেষে উপেন জমিদারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বাধ্য হয়। সে গ্রামের মানুষের কাছে সাহায্য চায়। কিন্তু গ্রামের মানুষ জমিদারের ভয়ে উপেনকে সাহায্য করতে ভয় পায়।

একাকী ও হতাশ উপেন আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ফুলমণি তাকে সাহায্য করে এবং তাকে আশ্বস্ত করে।

শেষ পর্যন্ত উপেন ন্যায়বিচারের জন্য শহরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

কবিতার তাৎপর্য:

এই কবিতায় কবি গ্রামীণ বাংলার শ্রেণীবিভেদ, জমিদারদের অত্যাচার, দরিদ্র মানুষের অসহায়ত্ব, এবং ন্যায়বিচারের জন্য লড়াইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

কবিতার ভাষা ও রীতি:

এই কবিতার ভাষা সহজ ও সাবলীল। কবিতায় কবি বিভিন্ন রূপক, প্রতীক, এবং ছন্দ ব্যবহার করেছেন।

উপসংহার:

“দুই বিঘা জমি” কবিতা বাংলা সাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ। এই কবিতা আজও আমাদের সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন:

  • উপেন কেন তার জমি বিক্রি করতে চায় না?
  • জমিদার কেন উপেনের জমি দখল করতে চায়?
  • গ্রামের মানুষ কেন উপেনকে সাহায্য করে না?
  • উপেন শেষ পর্যন্ত কী করার সিদ্ধান্ত নেয়?
  • এই কবিতার মূল বার্তা কী?

অষ্টম শ্রেণির “দুই বিঘা জমি” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি অমর কবিতা।

এই কবিতাটিতে, আমরা গরিব কৃষক রফিকের জমি জোর করে দখল করার কাহিনী পাই। জমিদার রঘুবীরের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রফিকের লড়াই, তার দুঃখ-দুর্দশা, এবং শেষ পর্যন্ত তার পরাজয় – এই সবকিছুই কবিতায় চিত্রিত হয়েছে।

কবিতার মূল বিষয়বস্তু:

  • শোষণ ও নিপীড়ন: রঘুবীর রফিকের উপর নির relentlessness নির্যাতন করে, তার জমি জোর করে দখল করে, এবং তাকে অমানুষিক জীবনযাপন করতে বাধ্য করে।
  • শ্রেণীভেদ: সমাজে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যয়ী তীব্র বৈষম্য কবিতায় ফুটে উঠেছে।
  • অসহায়ত্ব ও দুর্বলতা: রফিক তার অধিকারের জন্য লড়াই করতে চায়, কিন্তু সে সমাজের শক্তিশালীদের বিরুদ্ধে অসহায়।
  • ন্যায়বিচারের অভাব: রফিক ন্যায়বিচারের জন্য আদালতে যায়, কিন্তু ধনী ও প্রভাবশালী রঘুবীরের বিরুদ্ধে সে ন্যায়বিচার পায় না।
  • মানবিক মর্যাদার পতন: রফিক তার জমি হারানোর সাথে সাথে তার সম্মান ও মর্যাদাও হারিয়ে ফেলে।
  • আশার আলো: কবিতার শেষে রফিকের ছেলে নুরুলের মধ্যে আমরা আশার আলো দেখতে পাই। সে তার বাবার অধিকার ফিরিয়ে পেতে লড়াই করার প্রতিজ্ঞা করে।

“দুই বিঘা জমি” শুধু একটি কবিতা নয়, এটি একটি সমাজের বাস্তব চিত্র। ঔপনিবেশিক যুগের বাংলার গ্রামীণ জীবন, জমিদারদের অত্যাচার, এবং গরিব কৃষকদের দুর্দশা – এই সবকিছুই কবিতায় ফুটে উঠেছে। আজকের দিনেও, এই কবিতা আমাদের সমাজের অনেক বাস্তবতাকে তুলে ধরে, যা আমাদের চিন্তা করতে বাধ্য করে।

কবিতাটি অষ্টম শ্রেণির বাংলা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ।

পড়ুনঃম্যাজিক কনডম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ দ্রুত চিকন হওয়ার ওষুধ DETOXI SLIM কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ আ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম/ আ দিয়ে মেয়েদের  ইসলামিক নাম

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “অষ্টম শ্রেণির দুই বিঘা জমি”

Your email address will not be published. Required fields are marked *