Sale!

দুই বিঘা জমি কবিতার মূলভাব

Original price was: 750.00৳ .Current price is: 500.00৳ .

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913640

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে 60 ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

981 in stock

SKU: (45) মেয়েদের সেক্স বাড়ানোর মিস মি ঔষধ Category: Tag:

Description

দুই বিঘা জমি কবিতার মূলভাব । শ্রেণীবিভেদ, নির্যাতন, লোভ, অন্যায় এবং অসহায় মানুষের প্রতি সহানুভূতি – এই কয়েকটি শব্দ দিয়েই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “দুই বিঘা জমি” কবিতার মূলভাবকে সংক্ষিপ্ত করা যায়।

দুই বিঘা জমি কবিতার মূলভাব:

কাহিনী:

কবিতাটি উপেন নামক একজন গরিব কৃষকের জীবনযন্ত্রণা ও জমিদার রঘুবীরের অত্যাচারের চিত্র তুলে ধরে। উপেনের একমাত্র সম্পদ তার দুই বিঘা জমি, যা সে ঋণের বোঝায় জর্জরিত। রঘুবীর জোর করে জমি কিনে নেওয়ার চেষ্টা করে।

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

উপেন আইনি প্রতিকারের আশায় মহাজন, আইনজীবী, পুলিশ – সকলের দ্বারে ঘুরে বেড়ায়। কিন্তু ধনী ও প্রভাবশালী রঘুবীরের বিরুদ্ধে তার কোনও সাধ্য নেই। হতাশায় ভেঙে পড়ে উপেন আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

মূলভাব:

  • শ্রেণীবিভেদ: সমাজের ধনী ও দরিদ্র শ্রেণীর মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যয়হীন ব্যবধান কবিতার মূল উপজীব্য। রঘুবীরের মতো ধনী জমিদাররা তাদের ক্ষমতা ও প্রভাব দিয়ে দরিদ্রদের নির্যাতন করে।
  • নিপীড়ন: রঘুবীর উপেনের উপর নানাভাবে অত্যাচার করে। জমি জোর করে কিনে নেওয়ার চেষ্টা, মামলা, মিথ্যা অভিযোগ – এসবের মাধ্যমে সে উপেনকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলে।
  • লোভ: রঘুবীরের প্রবল লোভই তাকে উপেনের জমি দখল করতে প্ররোচিত করে। অন্যের সম্পদের প্রতি তার অপরিমেয় লালসাই তাকে নীতিভ্রষ্ট করে।
  • অন্যায়: রঘুবীরের সকল কর্মই অন্যায় ও অবিচারে ভরা। সে আইনের অপব্যবহার করে, উপেনকে হয়রানি করে এবং শেষ পর্যন্ত তাকে আত্মহত্যার দিকে ধাবিত করে।
  • সহানুভূতি: উপেনের প্রতি কবির গভীর সহানুভূতি কবিতার অন্যতম প্রধান দিক। একজন নির্যাতিত, অসহায় মানুষের প্রতি কবির দৃষ্টিতে আছে অসীম করুণা।

উপসংহার:

“দুই বিঘা জমি” কেবল একটি কবিতা নয়, বরং সমাজের বাস্তব চিত্র। শ্রেণীবিভেদ, নির্যাতন, লোভ, অন্যায় – এই সবকিছুর বিরুদ্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। একই সাথে, নির্যাতিত মানুষের প্রতি তার গভীর সহানুভূতিও প্রকাশ পেয়েছে এই অমর কবিতায়।

দুই বিঘা জমি কবিতার মূলভাব:

শ্রেণীবিভেদ, শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত “দুই বিঘা জমি” কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি অমর সৃষ্টি। এই কবিতায় তিনি তৎকালীন গ্রামীণ বাংলার শ্রেণীবিভেদ, শোষণ ও নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেছেন।

কবিতার মূল চরিত্র:

  • উপেন: একজন গরিব কৃষক যার শুধুমাত্র দুই বিঘা জমি ছাড়া আর কিছুই নেই।
  • মহাজন: ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি যে উপেনের জমি জোর করে দখল করতে চায়।
  • ফুলমণি: উপেনের স্ত্রী।

কাহিনী সংক্ষেপ:

উপেনের স্ত্রী ফুলমণি অসুস্থ। তার চিকিৎসার জন্য উপেনকে মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিতে হয়। ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে উপেন বাধ্য হয় তার দুই বিঘা জমি মহাজনের কাছে বিক্রি করে দিতে। কিন্তু উপেন ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করতে থাকে। সে মহাজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর উপেন তার জমি ফিরে পায়।

কবিতার মূলভাব:

  • শ্রেণীবিভেদ: কবিতায় তৎকালীন সমাজের শ্রেণীবিভেদের চিত্র ফুটে উঠেছে। ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা গরিব ও অসহায় মানুষদের উপর নির্যাতন করে।
  • শোষণ: মহাজন উপেনের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তাকে শোষণ করে।
  • নির্যাতন: মহাজন উপেনকে তার জমি থেকে বের করে দিতে চায় এবং নানাভাবে তাকে নির্যাতন করে।
  • ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষা: উপেন ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করে এবং শেষ পর্যন্ত তার জমি ফিরে পায়।
  • মানবিক মর্যাদার জয়: কবিতায় দেখানো হয়েছে যে, মানবিক মর্যাদা যেকোনো সম্পদের চেয়ে মূল্যবান।

উপসংহার:

“দুই বিঘা জমি” কবিতা শুধু একটি কালজয়ী সাহিত্যকর্মই নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী সামাজিক বার্তা বহন করে। এই কবিতা আমাদের শোষণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করার এবং ন্যায়বিচারের জন্য দাঁড়ানোর প্রেরণা দেয়।

কবিতার তাৎপর্য:

  • সামাজিক বাস্তবতার চিত্রায়ণ: কবিতায় তৎকালীন গ্রামীণ বাংলার সামাজিক বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
  • মানবিক মূল্যবোধের জয়: কবিতায় দেখানো হয়েছে যে, মানবিক মূল্যবোধ যেকোনো সম্পদের চেয়ে মূল্যবান।
  • শোষিতদের প্রতি সহানুভূতি: কবিতা পাঠকদের মনে শোষিতদের প্রতি সহানুভূতি জাগিয়ে তোলে।
  • ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থা:

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত “দুই বিঘা জমি” কবিতার মূলভাব:

শ্রেণীবিভেদ ও নির্যাতিত মানুষের বেদনা

এই কবিতাটি একজন নির্যাতিত, অসহায় কৃষক, উপেনের জমি হারানোর কাহিনী। উপেনের দুই বিঘা জমি ছাড়া সবই ঋণের বোঝা নেমে এসেছে। জমিদার মহাজন রঘুবীরের কাছে ঋণ নিয়ে সে জমিগুলো হারিয়ে ফেলে।

রঘুবীর জোর করে উপেনের জমি কিনে নেয়। উপেন আইনি লড়াই করে, জমি ফেরত পেতে চায়। কিন্তু ধনী ও প্রভাবশালী রঘুবীরের বিরুদ্ধে লড়াই করা উপেনের পক্ষে অসম্ভব।

অবশেষে হতাশ হয়ে উপেন আত্মহত্যা করে।

এই কবিতা শুধু উপেনের ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়, বরং তৎকালীন বাংলা গ্রামীণ সমাজের শোষণ, অনাচার ও ন্যায়বিচারহীনতার প্রতিচ্ছবি।

কবিতার মূল বার্তা:

  • শ্রেণীবিভেদ ও অসাম্য: ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বিদ্যমান প্রবল বৈষম্য।
  • শোষণ ও নির্যাতন: ধনী শ্রেণীর দ্বারা দরিদ্র ও নিরীহ মানুষের নির্যাতন।
  • ন্যায়বিচারহীনতা: দরিদ্রের জন্য আইনের অপ্রয়োগযোগ্যতা।
  • মানবিক মর্যাদার অপমান: দরিদ্র মানুষের অসহায়ত্ব ও মানসিক যন্ত্রণা।
  • আত্মসম্মান ও প্রতিবাদের আকাঙ্ক্ষা: উপেনের আত্মহত্যা কেবল হতাশার পরিণতি নয়, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদেরও প্রতীক।

উপসংহার:

“দুই বিঘা জমি” কবিতা শুধু একটি সাহিত্যকর্ম নয়, বরং সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। শোষণ, অনাচার ও ন্যায়বিচারহীনতার বিরুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের তীব্র প্রতিবাদ এই কবিতায় স্পষ্ট। আজও এই কবিতা সমাজের সকল স্তরের মানুষের কাছে প্রাসঙ্গিক।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

  • কবিতায় ব্যবহৃত ভাষা সহজ, সাবলীল ও গ্রাম্য বাংলার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
  • প্রতীক ও রূপকের ব্যবহার কবিতাকে আরও গভীর ও অর্থবহ করে তুলেছে।
  • চরিত্রগুলি বাস্তব ও সহজাত।
  • উপেনের চরিত্রে একজন নির্যাতিত মানুষের বেদনা ও হতাশার স্পষ্ট চিত্র ফুটে উঠেছে।

আশা করি এই উত্তরটি আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে সাহায্য করবে।

পড়ুনঃম্যাজিক কনডম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ দ্রুত চিকন হওয়ার ওষুধ DETOXI SLIM কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ আ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম/ আ দিয়ে মেয়েদের  ইসলামিক নাম

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “দুই বিঘা জমি কবিতার মূলভাব”

Your email address will not be published. Required fields are marked *