Sale!

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা 1000 শব্দের

Original price was: 2,900.00৳ .Current price is: 1,950.00৳ .

<h2>সরাসরি কিনতে ফোন করুন:style=”color: #0000ff;”> 01622913640

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে 60 ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

979 in stock

SKU: (54) ম্যাজিক কনডম কোডঃ 126 Category: Tag:

Description

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা 1000 শব্দের । ভূমিকা: প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়। এই দিনটি আমাদের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানোর দিন। এছাড়াও, এটি ভাষার গুরুত্ব ও এর জন্য সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করার দিন।

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা 1000 শব্দের

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন:

আমাদের মাতৃভাষা বাংলার জন্য আন্দোলনেরইতিহাস গৌরবময় ও ত্যাগস্বীকারে পরিপূর্ণ। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার নীতির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানোর সময় পুলিশের গুলিতে নিরপরাধ ছাত্ররা শহীদ হয়। এই ঘটনা বাঙালি জাতির মনে অমলিন আলোক জ্বালিয়ে দিয়েছিল এবং ভাষা আন্দোলনকে আরও জোরালো করে তুলেছিল।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি:

১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো) ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব গ্রহণ করে। ২০০০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই প্রস্তাব অনুমোদন করে এবং সারা বিশ্বে এই দিবস পালনের সূচনা হয়।

ভাষার গুরুত্ব:

ভাষা মানুষের চিন্তা-ভাবনা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধারণ ও প্রকাশের প্রধান মাধ্যম। এটি মানুষের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং সমাজের ঐক্য ও বন্ধনকে শক্তিশালী করে। শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, সাহিত্য, শিল্পকলা – সকল ক্ষেত্রেই ভাষার গুরুত্ব অপরিসীম।

বাংলা ভাষার সমৃদ্ধি:

বাংলা ভাষা বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ ও মিষ্টি ভাষা। এর সাহিত্য, কবিতা, গান, উপন্যাস, নাটক ইত্যাদি বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নজরুল ইসলাম, জীবানন্দ দাশ, শওকত ওসমান, হুমায়ুন আজাদ – এই মহান সাহিত্যিকদের অবদান বাংলা ভাষাকে করে তুলেছে অমর।

আমাদের কর্তব্য:

আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকে সমৃদ্ধ ও ঐতিহ্যবাহী রাখার জন্য আমাদের সকলেরই দায়িত্ব রয়েছে। আমাদের শিশুদের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখানো উচিত এবং তাদের সঠিকভাবে বাংলা ভাষা শেখানোর ব্যবস্থা করা উচিত। আমাদের সকলেরই উচিত যথাসাধ্য বাংলা ভাষায় কথা বলা, লেখা ও পড়া।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: ভাষার মর্যাদা ও আমাদের কর্তব্য

ভূমিকা:

প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করি। ১৯৫২ সালের এই দিনে ঢাকার শহীদ মিনারে বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন আমাদের ভাষা সৈনিকরা। তাদের আত্মত্যাগের স্মরণে এবং বিশ্বের সকল ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই দিবসের আয়োজন করা হয়।

ভাষার গুরুত্ব:

ভাষা আমাদের চিন্তা-ভাবনা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বহন করে। এটি আমাদের পরিচয়ের প্রতীক এবং অন্যের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম। ভাষার মাধ্যমেই আমরা জ্ঞান অর্জন করি, সাহিত্য ও শিল্পকলার সৃষ্টি করি এবং বিশ্ব সংস্কৃতিতে অবদান রাখি।

ভাষা আন্দোলন ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:

১৯৫২ সালে, তৎকালীন পাকিস্তান সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাংলার শিক্ষার্থী, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীরা। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি, রমনা পার্কে ভাষা সমর্থকদের মিছিলে পুলিশ গুলি চালায় এবং বরকত, রফিক, জব্বারসহ বেশ কয়েকজন শহীদ হন। তাদের আত্মত্যাগের ফলে বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

১৯৯৯ সালে, বাংলাদেশের প্রস্তাবনায় জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো) ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে প্রতি বছর এই দিন সারা বিশ্বে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

আমাদের কর্তব্য:

ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে আমাদের সকলেরই কিছু কর্তব্য রয়েছে।

  • মাতৃভাষা শেখা ও চর্চা করা: আমাদের সকলেরই উচিত আমাদের মাতৃভাষা সঠিকভাবে শেখা এবং নিয়মিত ব্যবহার করা।
  • শিশুদের মাতৃভাষা শেখানো: আমাদের শিশুদের ছোটবেলা থেকেই মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা তৈরি করে তুলতে হবে
  • এবং তাদের মাতৃভাষায় শিক্ষাদান নিশ্চিত করতে হবে।
  • ভাষা সমৃদ্ধ করা: আমাদের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও শিল্পের মাধ্যমে আমাদের ভাষাকে সমৃদ্ধ করতে হবে।
  • অন্যান্য ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া: আমাদের নিজস্ব ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া ।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: ভাষার জন্য রক্ত, ভাষার জন্য মর্যাদা

ভূমিকা:

প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়। এই দিবসটি শুধুমাত্র একটি ছুটির দিন নয়, বরং ভাষার গুরুত্ব ও মর্যাদা স্মরণ করার একটি বিশেষ উপলক্ষ। ১৯৫২ সালের এই দিনেই বাংলা ভাষার অধিকার রক্ষার জন্য ঢাকার শহীদ মিনারে বিক্ষোভকারী নিরস্ত্র ছাত্রদের উপর গুলি চালিয়েছিল পাকিস্তানি বাহিনী। এই ঘটনার স্মরণে এবং বিশ্বের সকল ভাষাভাষীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই দিবসটি পালিত হয়।

মাতৃভাষার গুরুত্ব:

মাতৃভাষা আমাদের চিন্তা-ভাবনা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বাহন। এটি আমাদের পরিচয়ের মূল ভিত্তি। মাতৃভাষার মাধ্যমেই আমরা আমাদের অনুভূতি স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে পারি এবং অন্যের সাথে সহজে যোগাযোগ করতে পারি। শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জনেও মাতৃভাষার গুরুত্ব অপরিসীম।

ভাষা আন্দোলন ও একুশে ফেব্রুয়ারি:

১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর পাকিস্তানের শাসকরা উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দিতে চায়। বাংলাভাষী জনগোষ্ঠী এর প্রতিবাদে রুখে দাঁড়ায়। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকার শহীদ মিনারে ভাষা আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালিয়ে পাকিস্তান সরকার তাদের নির্যাতন শুরু করে। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন নিরস্ত্র ছাত্র শহীদ হন। তাদের আত্মত্যাগ ভাষা আন্দোলনকে আরও জোরদার করে এবং শেষ পর্যন্ত ১৯৫৬ সালে বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের সহ-রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য:

১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো) ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই দিবস পালনের মাধ্যমে বিশ্বের সকল মানুষের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানো হয়। এছাড়াও, বিশ্বের বিলুপ্তপ্রায় ভাষাগুলো সংরক্ষণের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।

বাংলা ভাষা ও আমাদের কর্তব্য:

বাংলা ভাষা বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ ও সুন্দর ভাষা। এটি সাহিত্য, সংস্কৃতি ও দর্শনের ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রেখেছে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আমাদের সকলেরই উচিত বাংলা ভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: এক ভাষার জন্য রক্তের বিনিময়

ভূমিকা:

প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করি। এই দিনটি আমাদের মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করা ভাষা শহীদদের স্মরণে পালিত হয়। ১৯৫২ সালের এই দিনে ঢাকার শহীদ মিনারে বাংলা ভাষার রাষ্ট্রভাষা মর্যাদা দাবির আন্দোলনে নিরীহ বাঙালি ছাত্রদের উপর পাকিস্তানি পুলিশ গুলি চালায়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন ছাত্র শহীদ হন। তাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমেই বাংলা ভাষা আজ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা লাভ করে।

ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস:

১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজনের পর পাকিস্তানের শাসকরা উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দিতে চায়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বাংলা ভাষাভাষী মানুষ প্রতিবাদ শুরু করে। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানায়। পুলিশ তাদের উপর গুলি চালায় এবং রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত, শফিউরসহ আরও অনেক শহীদ হন। এই ঘটনার পর সারা বাংলায় তীব্র আন্দোলন শুরু হয়। অবশেষে ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান সরকার বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধুমাত্র একটি স্মরণ দিবস নয়, বরং এটি একটি ভাষার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশের দিবস। ভাষা আমাদের চিন্তা-ভাবনা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বাহন। মাতৃভাষা আমাদের পরিচয়ের মূল ভিত্তি। একটি জাতির জন্য মাতৃভাষার গুরুত্ব অপরিসীম।

বাংলা ভাষার সমৃদ্ধি:

বাংলা বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ ভাষা। এর সাহিত্য, কবিতা, গান, নাটক ইত্যাদি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নজরুল ইসলাম,

জীবনানন্দ দাশ, শওকত ওসমানের মতো সাহিত্যিকদের অমূল্য রচনা বাংলা ভাষাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

আমাদের কর্তব্য:

আমাদের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। আমাদের সকলের উচিত সঠিকভাবে বাংলা ভাষা ব্যবহার করা।

নতুন প্রজন্মকে বাংলা ভাষার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে।

উপসংহার:

ভাষা একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। মাতৃভাষার মাধ্যমেই আমরা আমাদের চিন্তা-ভাবনা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে পারি।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা 1000 শব্দের

ভূমিকা:

প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করি। এই দিনটি আমাদের মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করা ভাষা শহীদদের স্মরণে পালিত হয়। ১৯৫২ সালের এই দিনে ঢাকার শহীদ মিনারে বাংলা ভাষার রাষ্ট্রভাষা মর্যাদা দাবির আন্দোলনে নিরীহ বাঙালি ছাত্রদের উপর পাকিস্তানি পুলিশ গুলি চালায়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন ছাত্র শহীদ হন। তাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমেই বাংলা ভাষা আজ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা লাভ করে।

ভাষা আন্দোলনের পটভূমি:

১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজনের পর পাকিস্তানের শাসকরা উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দিতে চায়। পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে। তারা তাদের ভাষার উপর হুমকি অনুভব করে এবং প্রতিবাদ শুরু করে। ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা প্রথমবারের মতো বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানায়। এরপর থেকেই শুরু হয় ভাষা আন্দোলনের এক দীর্ঘ যাত্রা।

ভাষা আন্দোলনের ধাপে ধাপে ঘটনা:

  • ১৯৪৮: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা প্রথমবারের মতো বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানায়।
  • ১৯৫২:
    • ২৩শে জানুয়ারী: ছাত্ররা শহীদ মিনারে সমাবেশ করে।
    • ২০শে ফেব্রুয়ারী: পুলিশ ছাত্রদের উপর গুলি চালায়।
    • ২১শে ফেব্রুয়ারী: ভাষা শহীদদের স্মরণে সর্বাত্মক হরতাল পালিত হয়।
  • ১৯৫৪:
    • ২৩শে জুন: যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়।
    • ৭ই মার্চ: বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
  • ১৯৫৬:
    • ২১শে ফেব্রুয়ারী: প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়।
    • ৫ই মার্চ: সংবিধানে বাংলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

ভাষা আন্দোলনের প্রভাব:

আন্দোলন শুধুমাত্র বাংলা ভাষার রাষ্ট্রভাষা মর্যাদা লাভের আন্দোলন ছিল না, বরং এটি ছিল বাঙালি জাতির স্বাধীনতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের

আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। এই আন্দোলন বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং তাদের মুক্তিযুদ্ধের জন্য অনুপ্রাণিত করে।

পড়ুন: চেহারা সুন্দর করার দোয়া

আরও পড়ুন: লম্বা হওয়ার দোয়া, যে দোয়ার মাধ্যমে লম্বা হওয়া যায়

আরও পড়ুন: দীর্ঘ সময় মিলন করার ইসলামিক পদ্ধতি

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা 1000 শব্দের”

Your email address will not be published. Required fields are marked *