Sale!

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা ২০ পয়েন্ট

Original price was: 2,900.00৳ .Current price is: 2,050.00৳ .

<h2>সরাসরি কিনতে ফোন করুন:yle=”color: #0000ff;”&amp;gt; 01622913640&amp;amp;lt;/h2>

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে 60 ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

&

<p>gt;প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !</p><p><p>&amp;gt;> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

983 in stock

Description

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা ২০ পয়েন্ট । ভূমিকা: প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করি। ১৯৫২ সালের এই দিনে ঢাকার শহীদ মিনারে বাংলা ভাষার অধিকার রক্ষার জন্য প্রাণ হারিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী। তাদের আত্মত্যাগের স্মরণে এবং বিশ্বের সকল ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই দিবসটি পালিত হয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা ২০ পয়েন্ট

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

২০ টি গুরুত্বপূর্ণ দিক:

  1. ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস: ১৯৫২ সালে, ঢাকার শহীদ মিনারে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবিতে ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়। পাকিস্তান সরকার নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদের উপর গুলি চালিয়ে তাদের হত্যা করে। এই ঘটনাই ভাষা আন্দোলন নামে পরিচিতি লাভ করে।
  2. জাতীয় পরিচয়: মাতৃভাষা আমাদের জাতীয় পরিচয়ের মূল ভিত্তি। এটি আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং মূল্যবোধের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
  3. শিক্ষার মাধ্যম: শিক্ষাগ্রহণের জন্য মাতৃভাষা ব্যবহার জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে।
  4. সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য: বিশ্বের বিভিন্ন ভাষা আমাদের গ্রহকে সমৃদ্ধ করে তোলে। প্রতিটি ভাষার নিজস্ব অনন্য ইতিহাস, সাহিত্য এবং ঐতিহ্য রয়েছে যা আমাদেরকে একে অপরের সম্পর্কে আরও জানতে সাহায্য করে।
  5. বৈশ্বিক শান্তি: ভাষাগত বোঝাপড়া বৈশ্বিক শান্তি ও সহযোগিতার জন্য অপরিহার্য। যখন আমরা একে অপরের ভাষা সম্পর্কে জানি এবং শ্রদ্ধা করি, তখন আমাদের মধ্যে সংঘাতের সম্ভাবনা কমে যায়।
  6. মানবাধিকার: মাতৃভাষায় শিক্ষা লাভের অধিকার একটি মৌলিক মানবাধিকার। সকলেরই তাদের নিজস্ব ভাষায় যোগাযোগ করার, শিখতে এবং শিক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকা উচিত।
  7. ভাষা বিলুপ্তি: বিশ্বে প্রচুর ভাষা বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। একটি ভাষা হারানো মানে একটি সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য হারানো।
  8. ভাষা সংরক্ষণ: আমাদের মাতৃভাষা এবং বিশ্বের অন্যান্য ভাষা রক্ষা করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এটি করার জন্য আমরা বিভিন্ন ভাষায় বই পড়তে, গান শুনতে এবং চলচ্চিত্র দেখতে পারি। আমরা নতুন প্রজন্মকে তাদের মাতৃভাষা শিখতে এবং ব্যবহার করতে উৎসাহিত করতে পারি।
  9. ইউনেস্কো: ১৯৯৯ সালে, ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: ২০ পয়েন্টে আলোচনা

ভূমিকা:

প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়। ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো) এই দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং ২০০০ সাল থেকে প্রথমবারের মতো এটি পালিত হয়। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা ২০ পয়েন্ট

২০ পয়েন্টে আলোচনা:

১) ইতিহাস:

  • ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকার শহীদ মিনারে বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য ছাত্রদের উপর গুলি চালানো হয়।
  • এই ঘটনা স্মরণে এবং বিশ্বের সকল ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়।

২) গুরুত্ব:

  • মাতৃভাষা আমাদের চিন্তা-ভাবনা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বাহন।
  • এটি আমাদের পরিচয়ের মূল ভিত্তি।
  • শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জনে মাতৃভাষার গুরুত্ব অপরিসীম।
  • বৈচিত্র্যময় ভাষা বিশ্বকে করে তোলে সমৃদ্ধ ও সুন্দর।

৩) বাংলা ভাষা আন্দোলন:

  • বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালি জাতির ইতিহাসের একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।
  • এই আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ হয়।
  • ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পথিকৃৎ ছিল।

৪) মাতৃভাষার প্রতি কর্তব্য:

  • আমাদের সকলের উচিত মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া।
  • মাতৃভাষায় শিক্ষা গ্রহণ ও চর্চা করা।
  • নতুন প্রজন্মকে মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা জাগিয়ে তোলা।
  • বিলুপ্তপ্রায় ভাষা রক্ষার জন্য কাজ করা।

৫) আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট:

  • বিশ্বে প্রায় ৭,০০০ ভাষা প্রচলিত রয়েছে।
  • এর মধ্যে অনেক ভাষাই বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে।
  • মাতৃভাষা রক্ষা বিশ্ববাসীর একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

৬) ইউনেস্কোর ভূমিকা:

  • ইউনেস্কো বিশ্বব্যাপী মাতৃভাষা রক্ষা ও প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
  • সংস্থাটি বিভিন্ন কর্মসূচি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
  • মাতৃভাষা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে।

৭) সরকারি উদ্যোগ:

  • বাংলাদেশ সরকার মাতৃভাষা রক্ষা ও প্রচারে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
  • মাতৃভাষা শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
  • বিলুপ্তপ্রায় ভাষা রক্ষার জন্য কাজ করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: ২০ টি গুরুত্বপূর্ণ দিক

ভূমিকা:

প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়। ১৯৫২ সালের এই দিনে ঢাকায় মাতৃভাষা বাংলার অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলনরত শহীদদের রক্তে ভেজা হয়েছিল। সেই শহীদদের স্মরণে এবং বিশ্বের সকল ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে এই দিবস পালিত হয়।

২০ টি গুরুত্বপূর্ণ দিক:

  1. ভাষার গুরুত্ব: মাতৃভাষা আমাদের চিন্তা-ভাবনা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বাহন। এটি ব্যক্তি ও জাতির পরিচয়ের মূল ভিত্তি।
  2. ভাষা আন্দোলন: ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাংলা ভাষার অধিকার আদায়ের এক মহান সংগ্রাম ছিল।
  3. আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো) ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
  4. বহুভাষিকতা: বিশ্বে বিভিন্ন ভাষার সমাহার রয়েছে এবং প্রতিটি ভাষারই নিজস্ব মূল্য ও গুরুত্ব আছে।
  5. ভাষা সংরক্ষণ: বিলুপ্তপ্রায় ভাষাগুলি সংরক্ষণের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
  6. শিক্ষায় ভাষা: শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে মাতৃভাষা ব্যবহার জ্ঞান অর্জনে সহায়ক।
  7. সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য: বিভিন্ন ভাষা বিশ্বের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করে।
  8. মানবাধিকার: মাতৃভাষায় শিক্ষালাভ করা একটি মৌলিক মানবাধিকার।
  9. সামাজিক ন্যায়বিচার: সমাজের সকল স্তরের মানুষের জন্য ভাষার অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।
  10. শান্তি ও ঐক্য: ভাষা বোঝাপড়া ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করে, যা শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে সহায়ক।
  11. সুস্থ সমাজ: ভাষা মানসিক স্বাস্থ্য ও সুস্থ সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  12. আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন: ভাষা জ্ঞান অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  13. বিশ্ব নাগরিক: বৈশ্বিক যুগে বিভিন্ন ভাষার জ্ঞান অপরিহার্য।
  14. প্রযুক্তি ও ভাষা: প্রযুক্তির মাধ্যমে ভাষা শেখা ও ব্যবহার করা সহজতর হচ্ছে।
  15. ভাষা শিক্ষকদের ভূমিকা: ভাষা শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে ভাষা শেখা ও ভাষার প্রতি

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: বিশ বিন্দুতে এক ঝলক

ইতিহাস:

  1. ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি: ঢাকায় মাতৃভাষা বাংলার রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত শহীদদের রক্তে রঞ্জিত এই দিনটি ‘শহীদ দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালিত।
  2. ১৯৯৯ সাল: জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো) ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

গুরুত্ব:

  1. মাতৃভাষা: চিন্তা-ভাবনা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধারণ ও বহনের মাধ্যম।
  2. জাতীয় পরিচয়: ভাষাই জাতিকে করে তোলে ঐক্যবদ্ধ ও স্বতন্ত্র।
  3. সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য: বিশ্বের ভাষা বৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে।
  4. শিক্ষা ও জ্ঞান: মাতৃভাষায় শিক্ষা জ্ঞান অর্জনকে করে সহজ ও fruchtbar।
  5. মানবাধিকার: মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার একটি মৌলিক মানবাধিকার।

বাংলা ভাষা:

  1. বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ ভাষা: সাহিত্য, কবিতা, গান, নাটকের অমূল্য ভাণ্ডার।
  2. মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা: বাংলা ভাষার জন্য সংগ্রাম বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
  3. সর্বজনীন ভাষা: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের বসবাস।

আমাদের কর্তব্য:

  1. মাতৃভাষা শেখা ও চর্চা: নিজেদের ও আগামী প্রজন্মের কাছে মাতৃভাষা পৌঁছে দেওয়া।
  2. ভাষা বৈচিত্র্য রক্ষা: বিশ্বের সকল ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া।
  3. মাতৃভাষা আন্দোলনের ইতিহাস জানা: শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করা।
  4. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন: বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কর্মসূচির মাধ্যমে।

বিশ্ব পরিপ্রেক্ষিত:

  1. ভাষা বিলুপ্তির ঝুঁকি: প্রতি দু’ সপ্তাহে একটি ভাষা বিলুপ্ত হচ্ছে।
  2. ইউনেস্কোর প্রচেষ্টা: বিলুপ্তপ্রায় ভাষা সংরক্ষণের জন্য ‘আন্তর্জাতিক ভাষা বছর’ পালন।
  3. বহুভাষিক শিক্ষা: ভাষা শেখার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বোঝাপড়া বৃদ্ধি।

বাংলাদেশের অবদান:

  1. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ধারণা: বিশ্বব্যাপী ভাষা আন্দোলনে অনুপ্রেরণা।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা ২০ পয়েন্ট

ইতিহাস:

  • ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ উৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে এই দিবস পালন শুরু হয়।
  • ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো) এই দিবসটি আন্তর্জাতিকভাবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
  • ২০০০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

গুরুত্ব:

  • মাতৃভাষা আমাদের চিন্তা-ভাবনা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বাহন।
  • শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জনে মাতৃভাষার গুরুত্ব অপরিসীম।
  • বৈচিত্র্যময় ভাষা বিশ্বকে করে তোলে সমৃদ্ধ ও সুন্দর।
  • মাতৃভাষা হারানো মানে হারানো ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও জাতিসত্তা।

বাংলা ভাষা আন্দোলন:

  • ১৯৫২ সালে বাংলাকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার বিরুদ্ধে ছাত্রদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ থেকে শুরু হয় ভাষা আন্দোলন।
  • রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের মাধ্যমে বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
  • ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি স্থাপন করে।

বর্তমান প্রেক্ষাপট:

  • বিশ্বব্যাপী প্রায় ২৬০০ ভাষা বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে।
  • মাতৃভাষা শিক্ষার প্রসারে বিশ্বব্যাপী পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন।
  • বহুভাষিকতা সমৃদ্ধ করে সমাজ ও রাষ্ট্রকে।
  • সকলের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া জরুরি।

উপসংহার:

  • মাতৃভাষা আমাদের পরিচয় ও অস্তিত্বের মূল চাবিকাঠি।
  • মাতৃভাষা রক্ষা ও সমৃদ্ধি আমাদের সকলের কর্তব্য।
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় মাতৃভাষার গুরুত্ব ও মর্যাদা।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:

  • এই রচনাটিতে ২০ টি বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ইতিহাস, গুরুত্ব, বাংলা ভাষা আন্দোলন, বর্তমান প্রেক্ষাপট ও উপসংহার তুলে ধরা হয়েছে।
  • পাঠকেরা নিজস্ব জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী রচনাটি আরও সমৃদ্ধ করতে পারেন।

পড়ুন: চেহারা সুন্দর করার দোয়া

আরও পড়ুন: লম্বা হওয়ার দোয়া, যে দোয়ার মাধ্যমে লম্বা হওয়া যায়

আরও পড়ুন: দীর্ঘ সময় মিলন করার ইসলামিক পদ্ধতি

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা ২০ পয়েন্ট”

Your email address will not be published. Required fields are marked *