Sale!

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা class 5

Original price was: 750.00৳ .Current price is: 500.00৳ .

<h2>সরাসরি কিনতে ফোন করুন:le=”color: #0000ff;”> 01622913640

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে 60 ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

981 in stock

SKU: (56) মেয়েদের সেক্স বাড়ানোর মিস মি ঔষধ Category: Tag:

Description

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা class 5 । ভূমিকা: প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করি। এই দিবসটি আমাদের মাতৃভাষা বাংলার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশের একটি বিশেষ দিন।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা class 5

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

ইতিহাস:

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকার শহীদ মিনারে বাঙালি ভাষাভাষী মানুষেরা তাদের মাতৃভাষা বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন। এই ঘটনার স্মরণে এবং বিশ্বের সকল মানুষের মাতৃভাষার প্রতি সম্মান জানাতেই এই দিবসটি পালিত হয়।

গুরুত্ব:

মাতৃভাষা আমাদের চিন্তা-ভাবনা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বাহন। এটি আমাদের পরিচয়ের মূল ভিত্তি। মাতৃভাষার মাধ্যমেই আমরা আমাদের চারপাশের জগতের সাথে সহজে যোগাযোগ করতে পারি।

উপলক্ষ্য:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আমরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করি। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে মিলনায়তন, শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি সভা, আলোচনা সভা, কবিতা ও গানের অনুষ্ঠান, মুক্তাবেদনা সভা, মিছিল ও শোভাযাত্রা ইত্যাদি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্তব্য:

আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকে সমৃদ্ধ ও ঠিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করা উচিত। নতুন প্রজন্মকে বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাশীল হতে শেখানো আমাদের কর্তব্য।

উপসংহার:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধু একটি দিবস পালন করার জন্য নয়, বরং আমাদের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার এবং ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করার একটি সুযোগ। আসুন আমরা সকলে মিলে আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকে লালন-পালন করি এবং বিশ্বব্যাপী এর প্রসারে ভূমিকা রাখি।

আরও কিছু তথ্য:

  • ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
  • বিশ্বব্যাপী ১৮৮টিরও বেশি দেশ এই দিবস পালন করে।
  • ২০০৮ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বছর পালনের ঘোষণা করে।
  • ২০১০ সালে ঢাকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট স্থাপিত হয়।

শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু প্রশ্ন:

  • আপনার কি মনে হয় মাতৃভাষা শেখা গুরুত্বপূর্ণ? কেন?
  • আপনি কিভাবে আপনার মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারেন?
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের গ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:

ভূমিকা:

প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করি। এই দিবসটি ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো) ঘোষণা করে।

ভাষা আন্দোলন ও একুশে ফেব্রুয়ারি:

আমাদের জন্য এই দিবসটি বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ কারণ ১৯৫২ সালের এই দিনেই বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য ঢাকার শহীদ মিনারে আমাদের ভাষা সৈনিকরা প্রাণ দিয়েছিলেন।

মাতৃভাষার গুরুত্ব:

মাতৃভাষা আমাদের চিন্তা-ভাবনার মাধ্যম। এটি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বাহক। মাতৃভাষার মাধ্যমেই আমরা আমাদের চারপাশের বিশ্বকে বুঝতে পারি এবং অন্যদের সাথে যোগাযোগ করতে পারি।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মাতৃভাষা কেবল একটি ভাষা নয়, এটি আমাদের পরিচয়ের অংশ। সকলের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া এবং বিশ্বের সকল ভাষার বৈচিত্র্য রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য।

আমাদের কর্তব্য:

আমাদের মাতৃভাষা বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ ও উন্নত করার জন্য আমাদের সকলের প্রচেষ্টা করতে হবে। নতুন প্রজন্মকে আমাদের মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা শেখাতে হবে।

উপসংহার:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধু একটি দিবস পালনের চেয়ে অনেক বেশি। এটি একটি প্রতিজ্ঞা, আমাদের মাতৃভাষার জন্য আজীবন সংগ্রাম করার প্রতিজ্ঞা।

এই রচনাটি ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত।

আরও কিছু তথ্য যা আপনি রচনায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন:

  • বিশ্বে কতগুলি ভাষা রয়েছে?
  • কতগুলি ভাষা বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে?
  • আমরা কীভাবে আমাদের মাতৃভাষাকে রক্ষা করতে পারি?
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কীভাবে পালন করা হয়?

শুভেচ্ছা!

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:

ভূমিকা:

প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করি। এই দিবসটি আমাদের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশের একটি বিশেষ দিন।

ইতিহাস:

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত ও রফিউজ্জামানসহ আরও অনেক নিরপরাধ ছাত্রদের প্রাণ বলি দিতে হয়েছিল। তাদের এই আত্মত্যাগের স্মরণে এবং বিশ্বের সকল ভাষাভাষীর প্রতি সম্মান জানিয়ে ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো) ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

গুরুত্ব:

মাতৃভাষা আমাদের চিন্তা-ভাবনা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বাহন। এটি আমাদের পরিচয়ের মূল চাবিকাঠি। মাতৃভাষার মাধ্যমেই আমরা আমাদের চারপাশের বিশ্বকে বুঝতে পারি এবং অন্যদের সাথে যোগাযোগ করতে পারি।

উপসংহার:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমাদের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত এবং এটিকে সমৃদ্ধ করার জন্য আমাদের সকলেরই চেষ্টা করা উচিত। আমাদের উচিত নতুন প্রজন্মকে মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা শেখানো।

এই দিবস উপলক্ষে আমরা:

  • শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে পারি।
  • মাতৃভাষায় কবিতা, গান, প্রবন্ধ লেখার মাধ্যমে ভাষা সমৃদ্ধ করতে পারি।
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারি।
  • ছোটদের মধ্যে মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা জাগ্রত করতে পারি।

মনে রাখবেন:

  • ভাষা শুধুমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি আমাদের পরিচয়, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বাহন।
  • মাতৃভাষাকে সমৃদ্ধ করার জন্য আমাদের সকলেরই দায়িত্ব রয়েছে।
  • আসুন আমরা সকলে মিলে মাতৃভাষাকে লালন-পালন করি এবং আগামী প্রজন্মের কাছে তা হস্তান্তর করি।

কিছু তথ্য:

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন শুরু হয় ১৯৯৯ সালে।
  • বিশ্বে প্রায় ৭,১০০ টি ভাষা রয়েছে।
  • প্রতি দুই সপ্তাহে একটি ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
  • বাংলা বিশ্বের সপ্তম জনপ্রিয় ভাষা।

আশা করি এই রচনাটি আপনাদের ভালো লেগেছে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: আমাদের গর্ব, আমাদের শক্তি

ভূমিকা:

প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করি। এই দিনটি আমাদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি আমাদের মাতৃভাষা বাংলার জন্য আত্মত্যাগী ভাষা শহীদদের স্মরণে পালিত হয়।

ভাষা আন্দোলন ও শহীদদের ত্যাগ:

১৯৫২ সালে, তৎকালীন পাকিস্তান সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ায়। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি, শহীদ মিন্টু, রফিক, জব্বার, সালাউদ্দিন, ও দুর্গেশসহ অনেক নিরপরাধ ছাত্র নিহত হয়। তাদের আত্মত্যাগ বাঙালি জাতির মনে জাগিয়ে তোলে অদম্য বাঙালি চেতনা।

মাতৃভাষার গুরুত্ব:

মাতৃভাষা আমাদের চিন্তা-ভাবনার বাহন। এটি আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং ঐক্যের প্রতীক। মাতৃভাষার মাধ্যমেই আমরা আমাদের চারপাশের বিশ্বকে বুঝতে পারি এবং নিজেদেরকে প্রকাশ করতে পারি।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য:

১৯৯৯ সালে, জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো) ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই দিবসের মাধ্যমে সারা বিশ্বে বহুভাষিকতার গুরুত্ব ও বিভিন্ন ভাষা রক্ষার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়।

আমাদের কর্তব্য:

আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকে সমৃদ্ধ ও

উপসংহার:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমাদের মাতৃভাষার জন্য কত মূল্যবান জীবন বিসর্জন দেওয়া হয়েছে। তাই আমাদের কর্তব্য হলো আমাদের মাতৃভাষাকে সম্মান করা, ভালোবাসা এবং চর্চা করা। একসাথে আমরা আমাদের ভাষাকে আরও সমৃদ্ধ ও উন্নত করতে পারি।

কিছু টিপস:

  • আপনি আপনার রচনাকে আরও আকর্ষণীয় করতে ভাষা শহীদদের বীরত্বের গল্প, কবিতা বা গান যুক্ত করতে পারেন।
  • আপনি বাংলা ভাষার ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনার চিন্তাভাবনাও রচনায় উল্লেখ করতে পারেন।
  • আপনার রচনা যেন সাবলীল ও ত্রুটিমুক্ত হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন।

পড়ুন: লম্বা হওয়ার দোয়া, যে দোয়ার মাধ্যমে লম্বা হওয়া যায়

আরও পড়ুন: দীর্ঘ সময় মিলন করার ইসলামিক পদ্ধতি

আরও পড়ুন: মেয়েদের যৌন উত্তেজক ট্যাবলেটের নাম

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা class 5”

Your email address will not be published. Required fields are marked *