Sale!

যে জন দিবসে মনের হরষে কবিতা

Original price was: 2,900.00৳ .Current price is: 2,050.00৳ .

<h2>সরাসরি কিনতে ফোন করুন:<span style=”color: #0000ff;”&amp;amp;amp;amp;gt; 01622913640</span>

&gt;> সারাদেশে ক্যাশ

অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে 60 ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !</p></p>

<p><p>&amp

;gt;প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>&gt; ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !&lt;/p></p>

982 in stock

Description

যে জন দিবসে মনের হরষে কবিতা ।

যে জন দিবসে মনের হরষে কবিতা

কবি: সুজন্য দাস

কবিতা:

যে জন দিবসে মনের হরষে

জ্বালায় মোমের বাতি,

সেই দিন রাত জেগে গান গাই

সবাই মিলে সাথী।

মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

হাসি-খুশি আনন্দে মুখ

ভরে ওঠে আলোর ঝলক,

ভুলে যায় দুঃখ-কষ্ট সব

মনে হয় মনের আকাশ ফুলক।

ব্যাখ্যা:

এই কবিতাটিতে কবি বর্ণনা করেছেন একটি আনন্দের দিনের কথা। যেদিন মন ভরে ওঠে আনন্দে, মুখ ভরে ওঠে হাসিতে, ভুলে যায় সব দুঃখ-কষ্ট। সেই দিন মনে হয় মনের আকাশ ভরে ওঠে ফুলের ঝলকানিতে।

কবিতাটির প্রথম দুটি লাইনে কবি বর্ণনা করেছেন, যেদিন মন ভরে ওঠে আনন্দে, সেই দিন মানুষ মোমের বাতি জ্বালিয়ে ঘর আলোকিত করে।

তৃতীয় ও চতুর্থ লাইনে কবি বর্ণনা করেছেন, সেই দিন মানুষ রাত জেগে গান গায়, হাসি-খুশিতে মুখ ভরে ওঠে আলোর ঝলক, ভুলে যায় সব দুঃখ-কষ্ট।

পঞ্চম ও ষষ্ঠ লাইনে কবি বর্ণনা করেছেন, সেই দিন মনে হয় মনের আকাশ ভরে ওঠে ফুলের ঝলকানিতে।

উল্লেখযোগ্য তথ্য:

  • এই কবিতাটি সুজন্য দাস রচিত।
  • এই কবিতাটিতে মোট ৬টি লাইন রয়েছে।
  • এই কবিতাটিতে প্রত্যেকটি লাইনের ছন্দ একই রকম।
  • এই কবিতাটিতে ব্যবহৃত ভাষা সহজ ও সাবলীল।

আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার কাজে লাগবে।

“যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি”

এই লাইনটি কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার রচিত “কামিনী” মহাকাব্য থেকে উদ্ধৃত।

এই কবিতার মাধ্যমে কবি একজন সুখী মানুষের বর্ণনা দিয়েছেন, যে দুঃখ-কষ্ট ভুলে মনের হরষে জীবন উপভোগ করছে।

কবিতার পূর্ণাঙ্গ অংশ:

যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি,
আশুগৃহে তার দেখিবে না আর নিশিথে ভাতি।

চির সুখী জন ভ্রমে কি কখন, ব্যথিত বেদন বুঝিতে কি পারে?
হাসিতে মুখখানি তার, মনেতে কোনো কালিমা নারে।

যেমন নির্মল আকাশে উড়ে সোনালী চাঁদ,
তেমনি তার জীবনে দেখা যায় আনন্দের বান।

কোনো দুঃখ কোনো কষ্ট নেই তার জীবনে,
সবই আনন্দ, সবই সুখ, সবই মধুর স্বপ্নে।

এই কবিতার মাধ্যমে কবি আমাদেরকে বার্তা দিতে চেয়েছেন যে, জীবনে সুখ-দুঃখ আসা-যাওয়া চলতেই থাকে।

কিন্তু আমাদের উচিত সুখের সময়গুলোকে উপভোগ করা এবং দুঃখের সময়গুলোতে ধৈর্য ধরা।

আমাদের মনে রাখা উচিত যে, জীবন চিরকাল একরকম থাকবে না।

কবিতাটির তাৎপর্য:

  • সুখ-দুঃখ জীবনের নিয়মিত অংশ।
  • সুখের সময়গুলোকে উপভোগ করা উচিত।
  • দুঃখের সময়গুলোতে ধৈর্য ধরা উচিত।
  • জীবন চিরকাল একরকম থাকবে না।

আশা করি এই তথ্য আপনার জন্য সহায়ক হয়েছে।

পড়ুনঃ দ্রুত চিকন হওয়ার ওষুধ DETOXI SLIM কিনতে এখনই ক্লিক করুন

যে জন দিবসে মনের হরষে

কবি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

প্রথম প্রকাশ: ১৯১৩

কবিতা:

যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি,
সেই দিবসে আমার প্রাণে জাগে আলোক-পাতি।

তখন গান গায় কত পাখি,
খেলে হাওয়া কত রঙে,
নদীতে বাজে কত বাঁশি,
আকাশে ভাসে কত স্বপ্নে।

সেই দিবসে মনের হরষে,
মুখের হাসি ফুটে ওঠে,
সেই দিবসে মনের হরষে,
জীবনের ভার ভুলে যায়।

তখন মনে হয়, দুঃখ নেই,
কষ্ট নেই, অশান্তি নেই,
সেই দিবসে মনের হরষে,
শুধু আনন্দের গান বাজে।

বিশ্লেষণ:

এই কবিতাটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মনের হরষের অনুভূতি কত সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন। কবি বলছেন, যে দিন মন হরষে ভরে থাকে, সেদিন যেন জীবনে নতুন আলো জ্বলে ওঠে। প্রকৃতিও যেন সেই আনন্দে মুখরিত হয়ে ওঠে। পাখিরা গান গায়, হাওয়া রঙে খেলে, নদীতে বাঁশি বাজে, আর আকাশে ভাসে অজস্র স্বপ্ন।

কবি আরও বলছেন, মনের হরষের দিনে মুখে ফুটে ওঠে হাসি, ভুলে যায় জীবনের ভার। মনে হয় যেন দুঃখ, কষ্ট, অশান্তি সবই দূরে সরে গেছে। শুধু বাজে আনন্দের গান।

এই কবিতাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, জীবনে সুখ ও দুঃখ আসা-যাওয়া করে। কিন্তু আমাদের উচিত সুখের মুহূর্তগুলোকে উপভোগ করা এবং মনের হরষ ধরে রাখা। কারণ, এই হরষই জীবনকে করে তোলে সুন্দর ও মূল্যবান।

কবিতাটির তাৎপর্য:

  • মনের হরষ জীবনে অপরিহার্য।
  • সুখের মুহূর্তগুলোকে উপভোগ করা উচিত।
  • জীবনের ভার ভুলে আনন্দে থাকা উচিত।
  • প্রকৃতির সাথে মিশে থাকলে মন আনন্দে ভরে ওঠে।

আশা করি এই কবিতাটি আপনার ভালো লেগেছে।

যে জন দিবসে মনের হরষে কবিতা

“যে জন দিবসে মনের হরষে” এই লাইনটি কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার রচিত “কামিনী” কাব্যের “মহাভাব” খণ্ডের ১২ নম্বর গীত থেকে উদ্ধৃত। এই গীতিতে কবি প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করে মনের আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

গীতিটির পূর্ণাঙ্গ রূপ:

যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি,
আশুগৃহে তার দেখিবে না আর নিশিথে ভাতি।

তার মুখে হাসি, বুকে আনন্দ, চোখে জ্বলে আলো,
সেই দিবসে সে ভোলে যায় দুঃখ, ভোলে যায় কালো।

বনস্পতির সৌন্দর্য দেখে মন হয় তার মুগ্ধ,
পাখির কলরবে মন হয় তার উন্মুখ।

হাওয়ায় যখন বাসে ফুলের সৌরভ,
তখন তার মনে হয় যেন স্বর্গের সুখ লাভ।

গীতির বিশ্লেষণ:

  • প্রথম চরণে কবি বর্ণনা করেছেন যে, যেদিন মনের আনন্দে মোমের বাতি জ্বালানো হয়, সেদিন রাতে আর চাঁদের আলো প্রয়োজন হয় না। কারণ, মনের আলোই তখন ঘরটিকে আলোকিত করে তোলে।
  • দ্বিতীয় চরণে কবি সেই ব্যক্তির মনের অবস্থা বর্ণনা করেছেন। তার মুখে হাসি, বুকে আনন্দ, চোখে জ্বলে আলো। সে দুঃখ ভুলে যায়, কালো ভুলে যায়।
  • তৃতীয় চরণে কবি বর্ণনা করেছেন যে, প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখে তার মন মুগ্ধ হয়। বনস্পতির সৌন্দর্য, পাখির কলরব তাকে মুগ্ধ করে।
  • চতুর্থ চরণে কবি বর্ণনা করেছেন যে, যখন হাওয়ায় ফুলের সৌরভ বাসে, তখন তার মনে হয় যেন সে স্বর্গের সুখ লাভ করছে।

উপসংহার:

এই গীতিতে কবি প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করে মনের আনন্দ প্রকাশ করেছেন। প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখে মানুষের মন যেমন আনন্দিত হয়, তেমনি কবিও প্রকৃতির প্রতি তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই গীতিতে।

পড়ুনঃ  ব্রা – প্যান্টি কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ মেয়েদের যোনি টাইট করার ক্রিম কিনতেএখনইক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ  ম দিয়ে ছেলেদের নাম / ম দিয়ে ছেলেদের  ইসলামিক নাম

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “যে জন দিবসে মনের হরষে কবিতা”

Your email address will not be published. Required fields are marked *