Sale!

অর্থই অনর্থের মূল । অর্থই অনর্থের মূল বিতর্ক

Original price was: 2,900.00৳ .Current price is: 1,500.00৳ .

<h2>সরাসরি কিনতে ফোন করুন:”color: #0000ff;”> 01622913640&lt;/span>

&gt;&gt

; সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে 60 ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

983 in stock

Description

অর্থই অনর্থের মূল । এই প্রবাদটি একটি বিতর্কিত বিষয়। কিছু লোক মনে করেন যে এটি সম্পূর্ণ সত্য, আবার অন্যরা মনে করেন যে এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা নয়।

অর্থই অনর্থের মূল

যারা মনে করেন যে এটি সত্য তারা যুক্তি দেখান:

  • অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন মানুষকে লোভী, ঈর্ষান্বিত এবং অসৎ করে তুলতে পারে।
  • অর্থের জন্য মানুষ নীতি নৈতিকতা ভুলে অপরাধ করতে পারে।
  • অর্থের প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগ মানুষকে সুখী সম্পর্ক, স্বাস্থ্য এবং মানসিক শান্তি হারাতে পারে।

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

যারা মনে করেন যে এটি সম্পূর্ণ সত্য নয় তারা যুক্তি দেখান:

  • অর্থ জীবনকে অনেক সুবিধা দিতে পারে।
  • অর্থ দিয়ে মানুষ ভালো শিক্ষা, চিকিৎসা এবং অন্যান্য জরুরি জিনিসপত্র কিনতে পারে।
  • অর্থ দিয়ে মানুষ দরিদ্রদের সাহায্য করতে পারে এবং পৃথিবীকে আরও ভালো জায়গা করে তুলতে পারে।
  • অর্থের অভাব মানুষকে অনেক কষ্টের মধ্যে ফেলতে পারে।

পরিশেষে, “অর্থই অনর্থের মূল” এই প্রবাদটি কতটা সত্য তা নির্ভর করে ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গির উপর।

কিছু বিষয় মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ:

  • অর্থ একটি হাতিয়ার। যেকোনো হাতিয়ারের মতো, এটি ভালো বা মন্দের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • অর্থের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস অনেক আছে, যেমন ভালোবাসা, সুস্বাস্থ্য এবং মানসিক শান্তি।
  • অর্থ উপার্জনের সময় নীতি নৈতিকতা এবং মানবিকতার মূল্যবোধ ভুলে যাওয়া উচিত নয়।

আপনার কি মনে হয় “অর্থই অনর্থের মূল”?

“অর্থই অনর্থের মূল” – এই প্রবাদটির ব্যাখ্যা এবং এর তাৎপর্য:

ব্যাখ্যা:

এই প্রবাদটির অর্থ হল অতিরিক্ত অর্থ বা ধন-সম্পদের প্রতি আসক্তি মানুষকে বিপদ ও দুঃখের দিকে ধাবিত করতে পারে। যখন অর্থই জীবনের প্রধান লক্ষ্য হয়ে ওঠে, তখন নীতি-নৈতিকতা, সততা, মানবিকতা, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মূল্যবোধগুলো অবহেলিত হয়।

তাৎপর্য:

  • অতিরিক্ত অর্থের প্রতি লালসা: অতিরিক্ত অর্থের প্রতি লালসা মানুষকে অসৎ পন্থা অবলম্বন করতে পারে, যেমন মিথ্যা বলা, প্রতারণা করা, চুরি করা, এবং এমনকি হত্যা করা।
  • সম্পর্কের অবনতি: অর্থের প্রতি আসক্তি বন্ধু, পরিবার এবং প্রিয়জনদের সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটাতে পারে। ঈর্ষা, লোভ, এবং সন্দেহের মতো বিষাক্ত আবেগ দেখা দিতে পারে।
  • মানসিক অশান্তি: অর্থের পিছনে ছুটে বেড়ানো মানুষকে মানসিকভাবে অস্থির করে তুলতে পারে। চিন্তা, উদ্বেগ, এবং হতাশার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • স্বাস্থ্যের ঝুঁকি: অতিরিক্ত কাজের চাপ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, এবং ঘুমের অভাবের কারণে শারীরিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।

উপসংহার:

“অর্থই অনর্থের মূল” প্রবাদটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে অর্থ জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও, এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নয়। নীতি-নৈতিকতা, মানবিকতা, এবং সুসম্পর্কের মতো অন্যান্য বিষয়গুলোকেও জীবনে গুরুত্ব দিতে হবে। অর্থের প্রতি সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকলেই আমরা সুখী ও সুন্দর জীবনযাপন করতে পারব।

“অর্থই অনর্থের মূল” – এই প্রবাদ বাক্যটির ব্যাখ্যা এবং এর তাৎপর্য:

ব্যাখ্যা:

এই প্রবাদ বাক্যটির অর্থ হল অতিরিক্ত অর্থ বা ধন-সম্পদের প্রতি আসক্তি ও মোহই অনেক বিপদ ও দুর্ভাগ্যের মূল কারণ হতে পারে। যখন মানুষ অর্থের পেছনে ছুটতে থাকে, তখন সে নীতি-নৈতিকতা, সততা, মানবিকতা, এমনকি নিজের সুখ-শান্তিও ভুলে যেতে পারে। অর্থের জন্য মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে, অন্যদের প্রতারণা করে, এমনকি অপরাধও করে। এর ফলে পারিবারিক অশান্তি, সামাজিক বিশৃঙ্খলা, এবং ব্যক্তিগত দুঃখ-কষ্ট বৃদ্ধি পায়।

তাৎপর্য:

এই প্রবাদ বাক্যটি আমাদেরকে সতর্ক করে যে অর্থ জীবনে গুরুত্বপূর্ণ হলেও, এর প্রতি অতিরিক্ত মোহ বিপজ্জনক। আমাদের অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি নীতি-নৈতিকতা, সততা, মানবিকতা এবং সৎ জীবনযাপনের গুরুত্বও উপলব্ধি করতে হবে। অর্থের চেয়ে জীবনের অন্যান্য মূল্যবোধগুলোকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

উদাহরণ:

  • একজন ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফার জন্য নকল ওষুধ বিক্রি করে। এর ফলে অনেক মানুষের মৃত্যু হয় এবং ব্যবসায়ী নিজেও কারাদণ্ডে ভুগতে পায়।
  • একজন রাজনীতিবিদ ক্ষমতা ও অর্থের জন্য অন্যদের প্রতারণা করে এবং দুর্নীতিতে লিপ্ত হয়। এর ফলে সে জনগণের বিশ্বাস হারায় এবং তার পতনের মুখোমুখি হয়।
  • একজন যুবক ধনী হওয়ার স্বপ্ন দেখে অপরাধের জগতে জড়িয়ে পড়ে। এর ফলে সে তার জীবনের πολύτιम সময় নষ্ট করে এবং পরিবার ও সমাজের কাছে অপ্রিয় হয়ে ওঠে।

উপসংহার:

“অর্থই অনর্থের মূল” এই প্রবাদ বাক্যটি আমাদেরকে শেখায় যে অর্থের প্রতি অতিরিক্ত মোহ বিপজ্জনক। আমাদের সকলের উচিত নীতি-নৈতিকতা, সততা, মানবিকতা এবং সৎ জীবনযাপনের মাধ্যমে জীবনে সফলতা অর্জন করা। অর্থকে জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হিসেবে না দেখে, বরং জীবনের অন্যান্য মূল্যবোধের সাথে ভারসাম্য রেখে জীবনযাপন করা উচিত।

“অর্থই অনর্থের মূল” – এই প্রবাদটির ব্যাখ্যা ও আলোচনা:

অর্থ বলতে আমরা সাধারণত সম্পদ, ধন-সম্পদ, সম্পত্তি বুঝি। অনর্থ বলতে বোঝায় বিপদ, অমঙ্গল, বিপর্যয়।

“অর্থই অনর্থের মূল” প্রবাদটির অর্থ হল অতিরিক্ত অর্থ বা অনৈতিক উপায়ে অর্জিত অর্থ

অনেক সময় বিপদ ও বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এই প্রবাদটির ব্যাখ্যা করার জন্য বেশ কিছু দিক বিবেচনা করা যেতে পারে:

  • অতিরিক্ত অর্থের প্রতি আসক্তি: অতিরিক্ত অর্থের প্রতি আসক্তি মানুষকে নীতি-নৈতিকতা ভুলে অসৎ পথে ধাবিত করতে পারে।
  • অনৈতিক উপায়ে অর্থ অর্জন: চুরি, ডাকাতি, প্রতারণা, ঘুষখোরি ইত্যাদি অনৈতিক উপায়ে অর্জিত অর্থ স্থায়ী হয় না বরং বিপদ ডেকে আনে।
  • অর্থের অপব্যবহার: অর্থের অপব্যবহার, অহংকার, ঈর্ষা, লোভ-লালসা ইত্যাদি নেতিবাচক প্রবণতা বৃদ্ধি করে।
  • সামাজিক বৈষম্য: অতিরিক্ত অর্থের কেন্দ্রীভূতকরণ সমাজে বৈষম্য বৃদ্ধি করে, যা সামাজিক অস্থিরতা ও বিপ্লবের দিকে ধাবিত করতে পারে।
  • পরিবেশের ক্ষতি: অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের জন্য অনেক সময় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করা হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে বিপর্যয় ডেকে আনে।

তবে মনে রাখতে হবে যে, সকল অর্থই অনর্থের মূল নয়। পরিশ্রম, নীতি-নৈতিকতা ও বিবেচনার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারে।

উপসংহারে বলা যায় যে, “অর্থই অনর্থের মূল” প্রবাদটি আমাদের অর্থের প্রতি সতর্ক থাকার বার্তা দেয়। অর্থ অবশ্যই জীবনে গুরুত্বপূর্ণ, তবে নীতি-নৈতিকতা ও বিবেচনার অগ্রাধিকার না দিয়ে অতিরিক্ত অর্থের প্রতি আসক্তি ও অপব্যবহার বিপদ ডেকে আনতে পারে।

এই প্রবাদটির সাথে সম্পর্কিত কিছু বাংলা প্রবাদ:

  • “অর্থের চেয়ে বড় মন”
  • “লোভে পড়ে সর্বনাশ”
  • “সৎ হলে স্বর্গে যাবেন, অসৎ হলে নরকে”
  • “পরিশ্রমের ফল মিষ্টি”

আশা করি এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাছে সহায়ক হয়েছে।

অর্থই অনর্থের মূল বিতর্ক

একটি জটিল প্রশ্ন, বহুমুখী দৃষ্টিভঙ্গি:

“অর্থই অনর্থের মূল” এই প্রবাদটি একটি বিতর্কিত বিষয় যা দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত হয়ে আসছে।

সমর্থক ও বিরোধী উভয় পক্ষই তাদের যুক্তি উপস্থাপন করে থাকেন।

অর্থের পক্ষে যুক্তি:

  • জীবনযাত্রার মান উন্নত করে: অর্থ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে পারে।
  • অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে: বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তার মাধ্যমে অর্থ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে পারে, যার ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং সামগ্রিক সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়।
  • সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখে: দাতব্য প্রতিষ্ঠান ও সমাজসেবী সংস্থাকে অর্থায়ন করে অর্থ সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।
  • স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা প্রদান করে: অর্থ আর্থিক নিরাপত্তা প্রদান করে এবং ব্যক্তিদের তাদের পছন্দের জীবনযাপন করার স্বাধীনতা প্রদান করে।

অর্থের বিপক্ষে যুক্তি:

  • অসমতা ও বৈষম্য বৃদ্ধি করে: অর্থ প্রায়শই অসমভাবে বিতরণ করা হয়, যার ফলে সমাজে বৈষম্য ও দারিদ্র্য বৃদ্ধি পায়।
  • পরিবেশগত ক্ষতি করে: অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের প্রয়োজন প্রায়শই পরিবেশগত অবক্ষয়, দূষণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের অপব্যবহারের দিকে পরিচালিত করে।
  • নৈতিকতা ও মূল্যবোধকে নষ্ট করে: অর্থের প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগ নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে, লোভ, ঈর্ষা এবং অসৎ আচরণের দিকে ধাবিত করতে পারে।
  • মানসিক চাপ ও অসুস্থতা সৃষ্টি করে: অর্থের জন্য অতিরিক্ত চিন্তা ও উদ্বেগ মানসিক চাপ, উদ্বেগ এবং বিষণ্ণতার দিকে ধাবিত করতে পারে।

উভয় দিক বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ:

অর্থ একটি জটিল বিষয় যার ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় দিকই রয়েছে। “অর্থই অনর্থের মূল” বিতর্কের কোন সহজ উত্তর নেই। ব্যক্তিগত ও সামাজিক স্তরে অর্থের ভূমিকা সম্পর্কে আমাদের সচেতন হওয়া এবং এর সম্ভাব্য ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাবগুলি বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

অতিরিক্ত দৃষ্টিভঙ্গি:

  • ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি: অনেক ধর্ম অর্থের প্রতি অতিরিক্ত মোহকে হতাশাজনক বলে মনে করে এবং আধ্যাত্মিকতা ও সরল জীবনের উপর জোর দেয়।

অর্থই অনর্থের মূল: বিতর্কের বিশ্লেষণ

“অর্থই অনর্থের মূল” একটি প্রবাদ যা দীর্ঘকাল ধরে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

এই প্রবাদের অর্থ হল অতিরিক্ত সম্পদ ও ধনসম্পদের প্রতি আসক্তি ব্যক্তি ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

এই বিতর্কের দুটি প্রধান দিক রয়েছে:

পক্ষে যুক্তি:

  • অতিরিক্ত সম্পদের প্রতি আসক্তি নৈতিকভাবে ভ্রষ্ট: অর্থের প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগ নীতিবোধ, সহানুভূতি এবং আধ্যাত্মিকতার মতো গুরুত্বপূর্ণ মানবিক মূল্যবোধকে দূষিত করতে পারে।
  • অসাম্য ও লোভের উৎস: অর্থের প্রতি প্রবল ইচ্ছা সমাজে অসাম্য বৃদ্ধি করতে পারে, কারণ ধনীরা আরও বেশি সম্পদ অর্জনের চেষ্টা করে এবং গরিবরা আরও বেশি দারিদ্র্যের মধ্যে পতিত হয়।
  • সামাজিক ও পরিবেশগত ক্ষতি: অতিরিক্ত সম্পদ অর্জনের প্রচেষ্টা প্রায়শই পরিবেশগত ক্ষতি এবং শোষণের দিকে ধাবিত করে।

বিপক্ষে যুক্তি:

  • জীবনযাত্রার মান উন্নত করে: অর্থ মৌলিক চাহিদা পূরণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে: উদ্যোক্তারা অর্থ ব্যবহার করে নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করতে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধিতে অবদান রাখে।
  • সামাজিক উন্নয়নে অর্থায়ন করে: দাতব্য প্রতিষ্ঠান ও সমাজসেবী সংস্থাগুলি অর্থ ব্যবহার করে গরিব ও দুর্বলদের সহায়তা করতে এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে কাজ করতে পারে।

উপসংহার:

“অর্থই অনর্থের মূল” বিতর্ক একটি জটিল বিষয় যার কোন সহজ উত্তর নেই। অর্থ একটি শক্তিশালী হাতিয়ার যা ভালো ও মন্দের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্যক্তি ও সমাজের জন্য এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং দায়িত্বের সাথে অর্থ ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ।

অতিরিক্ত তথ্য:

  • এই বিতর্কটি সাহিত্য, দর্শন ও ধর্মগ্রন্থে ব্যাপকভাবে অন্বেষণ করা হয়েছে।
  • বাংলা সাহিত্যে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং কাজী নজরুল ইসলামের মতো লেখকরা এই প্রবাদটি তাদের রচনায় ব্যবহার করেছেন।
  • এই বিতর্কটি আজও প্রাসঙ্গিক কারণ অর্থ ও সম্পদের প্রতি আসক্তি ব্যক্তি ও সমাজের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হয়।

পড়ুনঃ  ব্রা – প্যান্টি কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ মেয়েদের যোনি টাইট করার ক্রিম কিনতেএখনইক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ  ম দিয়ে ছেলেদের নাম / ম দিয়ে ছেলেদের  ইসলামিক নাম

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “অর্থই অনর্থের মূল । অর্থই অনর্থের মূল বিতর্ক”

Your email address will not be published. Required fields are marked *