Sale!

রচনা শীতের সকাল । শীতের সকাল রচনা ২য় শ্রেণী

Original price was: 2,900.00৳ .Current price is: 1,500.00৳ .

<h2>সরাসরি কিনতে ফোন করুন:”color: #0000ff;”&gt; 01622913640&lt;/span>

&gt;&gt

; সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে 60 ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>প্রোডাক্ট হাতে পে

য়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !&lt;/p>

983 in stock

Description

রচনা শীতের সকাল । শীতের সকাল এক অপূর্ব মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। কুয়াশার ঘন আবরণে ঢাকা থাকে পৃথিবী। সূর্যের আলো কুয়াশা ভেদ করে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয় না। মনে হয় যেন পৃথিবী এক রহস্যময় আবরণে ঢাকা।

শীতের সকাল

গ্রামের শীতের সকালের দৃশ্য বেশ মনোরম। ধানক্ষেতের পাশে শিউলি, গোলাপ, জারবেরা ফুলের রঙিন সমারোহ দেখা যায়। পাখিরা মৃদু সুরে গান গায়। গ্রামের মানুষ গরম কাপড় পরে কাজে বের হয়।

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনইক্লিক করুন

শহরের শীতের সকাল একটু ভিন্ন। রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকে। মানুষ গরম কাপড়ে মুড়িয়ে ঠান্ডা থেকে রক্ষা করে। রিক্সা, বাস, মোটরসাইকেল দ্রুত গতিতে চলে যাচ্ছে।

নদীর ধারে বসে গরম চা আর নানা রকমের পুলি খাওয়া হলো শীতের সকালের আরেকটি আকর্ষণ।

আমাদের মনে শীতের সকাল এক অদ্ভুত অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। মনে হয় যেন প্রকৃতি এক নতুন রূপে সেজে উঠেছে।

শীতের সকালের কিছু বৈশিষ্ট্য:

  • কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ: শীতের সকালে পুরো পৃথিবী কুয়াশার ঘন আবরণে ঢাকা থাকে। সূর্যের আলো স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয় না।
  • ঠান্ডা আবহাওয়া: শীতের সকালে আবহাওয়া থাকে খুবই ঠান্ডা। তীব্র শীতের হাত থেকে রক্ষা পেতে মানুষ গরম কাপড় পরে।
  • কম আলো: সূর্যোদয়ের পরও আকাশে থাকে মেঘের ঘনঘটা। ফলে সারাদিন ধরে থাকে মৃদু আলো।
  • শিউলি, গোলাপ, জারবেরা ফুলের সমারোহ: শীতকালে বিভিন্ন রঙিন ফুল ফোটে।
  • পাখির কলরব: শীতের সকালে পাখিরা মৃদু সুরে গান গায়।
  • নদীর ধারে বসে গরম চা ও পুলি: শীতের সকালে নদীর ধারে বসে গরম চা আর নানা রকমের পুলি খাওয়া খুবই আনন্দের।

উপসংহার

ঠান্ডা আবহাওয়া, কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ, পাখির কলরব, রঙিন ফুলের সমারোহ – সব মিলিয়ে শীতের সকাল আমাদের মনে এক অদ্ভুত অনুভূতি জাগিয়ে তোলে।

রচনা শীতের সকাল

এক অপূর্ব রূপে ভরা শীতের সকাল । প্রকৃতি তখন নিজেকে নতুন করে সাজিয়ে তোলে। চারপাশে ঘন কুয়াশার চাদর পাতা থাকে। সূর্যের আলো কুয়াশা ভেদ করে আস্তে আস্তে ফুটে ওঠে। তখন আকাশে মেঘের সাথে সূর্যের আলোর লুকোচুরি দেখা যায়।

গ্রামের মানুষ ঘুম থেকে উঠে তখনই তাদের কাজ শুরু করে। কৃষকরা তাদের জমিতে যান। গরু, মহিষ নিয়ে খেতে যান। গ্রামের পথে তখন শোনা যায় গরুর ঘণ্টার শব্দ, মহিষের ডাক, পাখির কলরব।

শীতের সকালে গ্রামের বাড়িতে নতুন নতুন পিঠা তৈরি করা হয়। নতুন চালের গুড় দিয়ে তৈরি হয় পিঠা। পিঠার মিষ্টি গন্ধ ভেসে বেড়ায় চারপাশে।

শীত এর সকালে খেলাধুলারও আনন্দ আলাদা। ছেলেমেয়েরা মাঠে নেমে খেলে বিভিন্ন খেলা।

শুধু গ্রামেই সুন্দর নয়, শহরেও শীতের সকাল এর রূপ আলাদা। শহরের মানুষ তখন গরম কাপড় পরে বের হয়। রাস্তায় দেখা যায় চা-বিস্কুটের দোকান।

সুন্দর হলেও শীতের সকাল অনেকের জন্য এটি কষ্টেরও। ঠান্ডার কারণে অনেক গরিব মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে।

তবে সামগ্রিকভাবে বলা যায়, শীতের সকাল এক অপূর্ব মুহূর্ত। প্রকৃতির সৌন্দর্য, মানুষের কর্মজীবন, খেলাধুলা সব মিলিয়ে শীতের সকালকে করে তোলে অনন্য।

কিছু বৈশিষ্ট্য শীতের সকালের :

  • ঘন কুয়াশা
  • মৃদু রোদ
  • ঠান্ডা আবহাওয়া
  • শিশির ভেজা ঘাস
  • পিঠা তৈরির গন্ধ
  • খেলাধুলার আনন্দ
  • গরম কাপড় পরা মানুষ
  • চা-বিস্কুটের দোকান
  • গরিব মানুষের কষ্ট

উপসংহার:

আমাদের জীবনে শীতের সকাল আনন্দ ও কষ্ট দুটোই নিয়ে আসে। তবে সামগ্রিকভাবে বলা যায়, এটি একটি মনোরম সময়।

শীতের সকাল

এক অপার্থিব সৌন্দর্য্যের অধিকারী শীতের সকাল । কুয়াশার পাতলা আবরণে ঢাকা পৃথিবী যেন এক রহস্যময় জগতের আভাস দেয়। সূর্যের আলো কুয়াশা ভেদ করে অস্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে, যা চারপাশের দৃশ্যকে আরও রহস্যময় করে তোলে।

গ্রামের মাঠে ধানক্ষেতের শীষগুলোতে জমে থাকা শিশিরের বিন্দুগুলো সূর্যের আলোয় ঝলমলে করে। পাখিরা গাছে বসে মৃদু সুরে গান গায়। দূরের গ্রামের বাড়িগুলো থেকে ধোঁয়া উঠছে। গরুর গাড়ির বাইকের শব্দে ভেঙে পড়ে সকালের নিস্তব্ধতা।

মানুষজন গরম কাপড়ে মোড়ানো, তাড়াহুড়ো করে তাদের কাজের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে যাওয়ার জন্য রাস্তায় হেঁটে যাচ্ছে।

সকালের এই মনোরম পরিবেশ মনকে ভালো করে দেয়। মনে হয় যেন প্রকৃতি এক নতুন করে জেগে উঠেছে। ঠান্ডা আবহাওয়া মনকে প্রফুল্ল করে তোলে।

এই অপূর্ব সৌন্দর্য্য উপভোগ করার জন্য অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠে বাইরে বেরিয়ে যান। কিছু লোক হাঁটতে যান, আবার কিছু লোক বসে প্রকৃতির সৌন্দর্য্য উপভোগ করেন।

শুধু সুন্দরই নয়, উপকারীও বটে শীতের সকাল । ঠান্ডা আবহাওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। শীতের সকালে বাইরে বের হলে রোদে পোড়া ভাব কম হয়।

তাই, শীতের সকালকে আমাদের নিয়মিত উপভোগ করা উচিত।

শীতের সকালের কিছু বৈশিষ্ট্য:

  • কুয়াশার পাতলা আবরণে ঢাকা পৃথিবী
  • সূর্যের আলো কুয়াশা ভেদ করে অস্পষ্টভাবে ফোটে ওঠা
  • ধানক্ষেতের শীষগুলোতে জমে থাকা শিশিরের বিন্দু
  • পাখিরা গাছে বসে মৃদু সুরে গান গাওয়া
  • দূরের গ্রামের বাড়িগুলো থেকে ধোঁয়া উঠছে
  • মানুষজন গরম কাপড়ে মোড়ানো
  • ঠান্ডা আবহাওয়া

উপকারিতা:

  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
  • রোদে পোড়া ভাব কম হয়
  • মনকে প্রফুল্ল করে তোলে
  • প্রকৃতির সৌন্দর্য্য উপভোগের সুযোগ করে দেয়

শীতের সকাল রচনা ২য় শ্রেণী

আকাশে ভেসে বেড়ায় হালকা সাদা মেঘ। শীতের সকাল বেশ মনোরম। সূর্যের আলো এখনো ঢাকা দিয়ে উঠেনি। তাই চারপাশে মৃদু আলো ছড়িয়ে পড়েছে। ঠান্ডা বাতাস মৃদু করে লাগছে গায়ে।

ঘুম থেকে উঠে আমি জানালা দিয়ে বাইরে তাকালাম। দেখলাম আমার বাড়ির বাগানে কুয়াশার চাদর লেগে আছে। কাশফুলের উপরে জমে আছে শিশিরের বিন্দু। পাখিরা গাছে বসে মৃদু সুরে গান গাইছে।

আমি দ্রুত গরম কাপড় পরে বাইরে বের হয়ে এলাম। বাগানে ঘুরে বেড়ালাম। ঠান্ডা বাতাসে আমার মনটা ভালো লাগছে।

হঠাৎ আমার চোখে পড়লো আমার বন্ধু রুমা। সেও তার বাগানে বেরিয়ে এসেছে। আমরা দুজনে মিলে বাগানে খেলতে লাগলাম। আমরা ফুল摘んで, দৌড়াদৌড়ি করে খেললাম।

খেলতে খেলতে আমাদের অনেকক্ষণ কেটে গেলো। রোদ উঠেছে। তখন আমরা বাড়ির ভেতরে চলে এলাম।

মা আমার জন্য গরম গরম নاشتা রান্না করেছে। আমি নاشتা খেয়ে স্কুলে যেতে প্রস্তুত হলাম।

আমার শীতের সকাল খুব ভালো লাগে। কারণ এই সময়টা আমি বাইরে খেলে অনেক মজা করতে পারি।

এই রচনাটি দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত। রচনাটিতে শীতের সকালের বর্ণনা সংক্ষিপ্ত এবং সহজ ভাষায় করা হয়েছে।

এখানে কিছু বিষয় যোগ করা যেতে পারে:

  • শীতের সকালে মানুষের পোশাক ও আচরণ
  • শীতের সকালে প্রকৃতির সৌন্দর্য
  • শীতের সকালে কিছু উৎসব ও রীতিনীতি
  • শীতের সকালে কিছু খাবার

শিক্ষার্থীরা তাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও কল্পনা অনুযায়ী রচনাটি আরও সমৃদ্ধ করতে পারে।

শীতের সকাল

আকাশে ভেসে বেড়ায় সাদা মেঘের দল। রোদের আলো মৃদু হয়ে পৃথিবীতে নেমে আসে। পূর্ব দিক লালচে আভায় ঝলমলে করে ওঠে। তীব্র ঠান্ডার কারণে গা শিহরিয়ে ওঠে। শীতের সকাল বেশ মনোরম।

ঘুম থেকে জেগে পাখিরা গান গায়। গাছের পাতায় জমা শিশিরের ফোঁটা রোদের আলোয় চকচকে করে। কুয়াশার ঘন আবরণে ঢেকে থাকে চারপাশ। ধীরে ধীরে কুয়াশা সরে গেলে স্পষ্ট হয়ে ওঠে পৃথিবীর রূপ।

গ্রামের মানুষ ঘুম থেকে উঠে তাদের কাজে লেগে যায়। কৃষকরা তাদের জমিতে যায়। ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে যায়। রাস্তাঘাটে মানুষের رفت و آمد বেড়ে যায়।

বেশ সুস্বাদু শীতের সকালের খাবার । নতুন ধানের ভাত, গরুর দুধ, পিঠা, ইলিশ মাছের ভাজা – এই সব কিছু মিলে সকালের নাস্তা হয় অসাধারণ।

নদীর ধারে বসে রোদ পোহানো হলো শীতের সকালের একটি আকর্ষণ । নদীর ঠান্ডা জল স্পর্শ করলে মন ভালো লাগে।

বেশ উপভোগ্য শীতের সকাল । ঠান্ডা আবহাওয়া, মৃদু রোদ, সুস্বাদু খাবার – এই সব কিছু মিলে শীতের সকালকে করে তোলে অসাধারণ।

দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু টিপস:

  • শীতের সকালের বর্ণনা করার সময় বিশেষ্য, বিশেষণ, ক্রিয়া ইত্যাদি ব্যবহার করে লেখা উচিত।
  • ঠান্ডা আবহাওয়া, রোদ, কুয়াশা, পাখির ডাক, মানুষের কর্মকাণ্ড ইত্যাদি বিষয়গুলি লেখায় উল্লেখ করা যেতে পারে।
  • শীতের সকালের খাবার এবং নদীর ধারে রোদ পোহানোর বর্ণনা লেখায় যোগ করা যেতে পারে।
  • ভাষা সহজ ও সরল রাখা উচিত। বাক্যগুলি ছোট ও সহজবোধ্য হওয়া উচিত।
  • লেখার সময় যাতে কোনো বানান ভুল না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

উদাহরণ:

শীতের সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি, আকাশে ভেসে বেড়াচ্ছে সাদা মেঘের দল। রোদের আলো মৃদু হয়ে নেমে আসছে পৃথিবীতে। পূর্ব দিক লালচে আভায় ঝলমলে করে ওঠে। তীব্র ঠান্ডার কারণে গা শিহরিয়ে ওঠে।

গাছের পাতায় জমা শিশিরের ফোঁটা রোদের আলোয় চকচকে করে। কুয়াশার ঘন আবরণে ঢেকে থাকে চারপাশ। ধীরে ধীরে কুয়াশা সরে গেলে স্পষ্ট হয়ে ওঠে পৃথিবীর রূপ।

পাখিরা গান গায় মিষ্টি সুরে। কৃষকরা তাদের জমিতে যায়।

শীতের সকাল রচনা ২য় শ্রেণী

বেশ মনোরম শীতের সকাল । কুয়াশার ঘন আবরণে ঢাকা থাকে পৃথিবী। সূর্যের আলো স্পষ্টভাবে দেখা যায় না। তবুও, সূর্যের আলো যেন কুয়াশার ফাঁক দিয়ে ঝিকিমিকি করে ফুটে বেরোচ্ছে। ঠান্ডা বাতাস মৃদুভাবে বইছে। গাছপালা কুয়াশায় ঢাকা। পাখিরা ডানা ঝাপটিয়ে উড়ছে।

ঘুম থেকে উঠে আমি যখন জানালা দিয়ে বাইরে তাকাই, তখন চারপাশের এই মনোরম দৃশ্য দেখে আমার মন ভরে যায়। আমি তাড়াতাড়ি কাপড় পরে বাইরে বেরিয়ে পড়ি।

খোলা মাঠে ঘাসে জমা শিশিরের উপর সূর্যের আলো পড়ে চমৎকার একটা দৃশ্য তৈরি হয়েছে। কিছু কিছু ফুলের পাপড়িতে

শিশিরের বিন্দু জমে আছে। শীতের সকালে আমরা বিভিন্ন খেলাধুলা করি। আমার বন্ধুরা সবাই মিলে লুকোচুরি, দৌড়াদৌড়ি, কাঠি ছুঁড়ি খেলি।

মাঝে মাঝে আমরা শীতের সকালে নদীর তীরে যাই। নদীর ধারে বসে আমরা গান গাই, গল্প করি।

শীতের সকালের নাস্তাও বেশ মজাদার হয়। আমরা নানা রকমের পিঠা, জিলাপি, লুচি, খিচুড়ি ইত্যাদি খাই । শীতের সকাল সত্যিই খুব উপভোগ্য। রচনা শীতের সকাল

দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের জন্য কিছু টিপস:

  • শীতের সকালের মনোরম দৃশ্য সম্পর্কে লেখার সময় কল্পনাশক্তির ব্যবহার করুন।
  • আপনার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লেখার চেষ্টা করুন।
  • সহজ ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।
  • বাক্য গঠন সঠিক রাখুন।
  • ভুল বানান ও ব্যাকরণগত ভুল এড়িয়ে চলুন।

কিছু উদাহরণ:

  • “সূর্য যেন কুয়াশার ফাঁক দিয়ে ঝিকিমিকি করে ফুটে বেরোচ্ছে।”
  • “গাছপালা কুয়াশায় ঢাকা।”
  • “খোলা মাঠে ঘাসে জমা শিশিরের উপর সূর্যের আলো পড়ে চমৎকার একটা দৃশ্য তৈরি হয়েছে।”
  • “শীতের সকালের নাস্তাও বেশ মজাদার হয়।”

আশা করি এই রচনাটি আপনাদের ভালো লেগেছে।

পড়ুনঃ  ব্রা – প্যান্টি কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ মেয়েদের যোনি টাইট করার ক্রিম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ  ম দিয়ে ছেলেদের নাম / ম দিয়ে ছেলেদের  ইসলামিক নাম

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “রচনা শীতের সকাল । শীতের সকাল রচনা ২য় শ্রেণী”

Your email address will not be published. Required fields are marked *