Sale!

ভাবসম্প্রসারণ চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ । ভাব সম্প্রসারণ চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ

Original price was: 1,500.00৳ .Current price is: 1,150.00৳ .

<h2>সরাসরি কিনতে ফোন করুন:&amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;lt;span style=”color: #0000ff;”&amp;gt; 01622913640&amp;amp;lt;/span>

&gt;&amp;gt; সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !</p>

&amp;gt;> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে 60 ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

<p>&gt;> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

983 in stock

Description

ভাবসম্প্রসারণ চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ । ভূমিকা: মানুষের জীবনে অর্থ, শিক্ষা, ক্ষমতা – এসবের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু এসবের চেয়েও বেশি মূল্যবান হলো চরিত্র। সৎ, ন্যায়পরায়ণ, দানশীল, কর্তব্যপরায়ণ – এসব গুণাবলী সমৃদ্ধ চরিত্রই মানুষকে করে তোলে সমাজের মণিমুক্তা।

ভাবসম্প্রসারণ: চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ

চরিত্র গঠনের গুরুত্ব:

  • সমাজের ভিত্তি: উত্তম চরিত্রের মানুষেরা সমাজের ভিত্তি স্তম্ভ। তাদের নীতিবোধ, সততা ও ন্যায়পরায়ণতা সমাজে শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

  • সফল জীবনের চাবিকাঠি: চরিত্রবান ব্যক্তিরা জীবনে সফলতা অর্জন করে। তাদের নীতিবোধ ও কর্তব্যপরায়ণতা তাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করে।
  • অনুপ্রেরণার উৎস: সমাজের দুঃস্থ ও অসহায় মানুষদের জন্য চরিত্রবান ব্যক্তিরা অনুপ্রেরণার উৎস। তাদের দানশীলতা ও সহানুভূতি মানুষকে সাহায্য করতে অনুপ্রাণিত করে।
  • আত্ম-সম্মান বৃদ্ধি: উত্তম চরিত্রের অধিকারী ব্যক্তিরা আত্ম-সম্মানে পরিপূর্ণ হয়। তাদের বিবেক পরিষ্কার থাকে এবং সমাজে তারা সম্মানিত হয়।

চরিত্র গঠনের উপায়:

  • পরিবারের ভূমিকা: পরিবারই শিশুদের চরিত্র গঠনের প্রাথমিক ক্ষেত্র। পিতামাতা ও অভিভাবকদের উচিত তাদের সন্তানদের নীতিবোধ, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, কর্তব্যপরায়ণতা, দানশীলতা ও সহানুভূতি শেখানো।
  • শিক্ষার প্রভাব: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের শুধু জ্ঞানই দেওয়া উচিত নয়, তাদের চরিত্র গঠনের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে তাদের নীতিবোধ ও বিবেচনাশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব।
  • সামাজিক প্রভাব: সমাজের বড়রা ও মুরব্বিরা তাদের আচরণ-আচরণের মাধ্যমে সমাজের অন্যদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে উঠতে পারে। তাদের নীতিবোধ ও সৎ আচরণ সমাজের অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে।

উপসংহার:

চরিত্র মানুষের জীবনের অমূল্য সম্পদ। উত্তম চরিত্রের মানুষেরা সমাজের জন্য আশীর্বাদ। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা আমাদের নতুন প্রজন্মকে নীতিবান ও চরিত্রবান নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।

চরিত্র সম্পর্কে কিছু উক্তি:

  • “চরিত্র হলো মানুষের সত্যিকারের পরিচয়।” – মহাত্মা গান্ধী

ভাবসম্প্রসারণ: চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ

ভূমিকা:

মানুষের জীবনে অর্থ, জ্ঞান, ক্ষমতা, খ্যাতি – সবকিছুরই গুরুত্ব আছে। কিন্তু इन सबके बीच চরিত্র ধারণ করে এক অপরিসীম মূল্য। কারণ চরিত্রই মানুষকে করে তোলে সত্যিকারের মানুষ।

চরিত্র কী?

মানুষের নৈতিক গুণাবলী এবং আচরণ-প্রবণতা বলতে চরিত্র বোঝায় । সততা, ন্যায়পরায়ণতা, দানশীলতা, কর্তব্যপরায়ণতা, সহানুভূতি, শ্রদ্ধা, বিনয়, সাহস – এসব গুণাবলী মিলিতভাবে একজন মানুষের চরিত্র গঠন করে।

কেন অমূল্য?

  • অর্থের চেয়ে মূল্যবান: অর্থ কেনা যায়, হারানো যায়। কিন্তু সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ চরিত্র কেনা যায় না।
  • সম্মানের আধার: একজন মানুষের সম্মান তার চরিত্রের উপর নির্ভর করে।
  • সুখের মূল: সুখী জীবনের জন্য ভালো চরিত্র অপরিহার্য।
  • সমাজের মেরুদণ্ড: সৎ এবং ন্যায়পরায়ণ মানুষ সমাজের মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করে।
  • পরকল্পনার চেয়ে শক্তিশালী: ভালো চরিত্রের মানুষ যেকোনো প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে পারে।

উত্তম চরিত্র গঠনের উপায়:

  • সৎ ও ন্যায়পরায়ণ জীবনযাপন করা।
  • পরোপকারী হওয়া।
  • বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং ছোটদের প্রতি স্নেহশীল হওয়া।
  • সত্যবাদী হওয়া।
  • প্রতিশ্রুতি পালন করা।
  • কৃতজ্ঞ হওয়া।
  • ক্ষমাশীল হওয়া।
  • অহংকার ত্যাগ করা।
  • নিয়মিত ধর্মীয় অনুশীলন করা।

উপসংহার:

চরিত্র মানুষের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদভালো চরিত্র গঠনের মাধ্যমে আমরা আমাদের জীবনকে করে তুলতে পারি সুন্দর এবং সার্থক

মনে রাখবেন:

  • চরিত্র গঠন একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া
  • ধৈর্য এবং অধ্যবসায় এর মাধ্যমে আমরা উত্তম চরিত্র অর্জন করতে পারি।
  • ভালো চরিত্র আমাদের জীবনে অপরিসীম আনন্দ এবং সমৃদ্ধি বয়ে আনতে পারে।

ভাবসম্প্রসারণ: চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ

ভূমিকা:

মানুষের জীবনে অমূল্য সম্পদের মধ্যে অন্যতম হলো চরিত্র। ধন-সম্পদ, শিক্ষা, জ্ঞান, যশ-খ্যাতি সবকিছুই ক্ষণস্থায়ী হতে পারে। কিন্তু সত্যবাদিতা, ন্যায়পরায়ণতা, দানশীলতা, সহানুভূতি, বিনয়, নম্রতা, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ – এইসব গুণাবলী সমৃদ্ধ চরিত্রই মানুষকে করে তোলে সত্যিকারের সমৃদ্ধ।

চরিত্র গঠনের গুরুত্ব:

  • সমাজে সম্মান: উত্তম চরিত্রের অধিকারী ব্যক্তি সর্বত্র সম্মান অর্জন করে। সমাজের সকল স্তরের মানুষ তাকে শ্রদ্ধা করে।
  • আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি: সৎ ও ন্যায়পরায়ণ জীবনযাপন করলে মানুষের মনে আত্মবিশ্বাস জন্মে।
  • পারিবারিক সুখ: সুন্দর চরিত্রের মাধ্যমে পারিবারিক জীবনে সুখ ও শান্তি বজায় থাকে।
  • সামাজিক উন্নয়ন: সমাজের সকল সদস্যের উত্তম চরিত্রের মাধ্যমেই সমাজের উন্নয়ন সম্ভব।
  • জীবনের সার্থকতা: উত্তম চরিত্রই জীবনকে করে তোলে সার্থক ও মূল্যবান।

চরিত্র গঠনের উপায়:

  • পরিবার ও সমাজের প্রভাব: পরিবার ও সমাজের সদস্যদের আদর্শ আচরণ-আচার্য্য চরিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • শিক্ষা ও জ্ঞান: শিক্ষা ও জ্ঞানের মাধ্যমে মানুষ ন্যায়-অন্যায়, ভালো-মন্দ সম্পর্কে ধারণা লাভ করে এবং উত্তম চরিত্র গঠনে সাহায্য পায়।
  • ধর্মীয় অনুশীলন: ধর্মীয় নীতিবোধ ও শিক্ষা চরিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • সৎ ও ন্যায়পরায়ণ জীবনযাপন: সৎ ও ন্যায়পরায়ণ জীবনযাপনের মাধ্যমে চরিত্রের বিকাশ ঘটে।
  • স্ব-অনুশীলন: নিয়মিত স্ব-অনুশীলন, আত্ম-পর্যালোচনা ও চিন্তাভাবনার মাধ্যমে চরিত্রের উন্নয়ন সম্ভব।

উপসংহার:

চরিত্র মানুষের জীবনের মূল্যবান সম্পদ। উত্তম চরিত্রের মাধ্যমেই মানুষ সকলের কাছে সম্মান অর্জন করে এবং জীবনকে করে তোলে সুন্দর ও সার্থক। পরিবার, সমাজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান – সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে গড়ে তোলা সম্ভব সুন্দর চরিত্র সমৃদ্ধ সমাজ।

চরিত্র গঠনে সাহায্যকারী কিছু বাণী:

  • “চরিত্রই মানুষের প্রকৃত পরিচয়।” – স্বামী বিবেকানন্দ
  • “সত্যবাদিতাই সর্বোত্তম নীতি।” – মহাত্মা গান্ধী

ভাব সম্প্রসারণ চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ

ভূমিকা:

মানুষের জীবনে অমূল্য সম্পদের মধ্যে অন্যতম হল চরিত্র। ধন-সম্পদ, শিক্ষা, জ্ঞান, যশ-খ্যাতি সবকিছুই ক্ষণস্থায়ী হতে পারে। কিন্তু সৎ ও উত্তম চরিত্র মানুষকে জীবনে স্থায়ী সম্মান ও মর্যাদা এনে দেয়।

চরিত্রের গুরুত্ব:

  • সম্মান ও মর্যাদার দ्योतক: সৎ ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি সকলের সম্মান ও মর্যাদা অর্জন করে। সমাজে তার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে।
  • আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি: উত্তম চরিত্রের অধিকারী ব্যক্তি আত্মবিশ্বাসী হয়। সে যেকোনো পরিস্থিতিতে সাহসের সাথে মোকাবেলা করতে পারে।
  • সুখী ও সফল জীবনের চাবিকাঠি: সৎ ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি সুখী ও সফল জীবনযাপন করে। তার মনে প্রশান্তি থাকে।
  • পরিবার ও সমাজের কল্যাণ: উত্তম চরিত্রের অধিকারী ব্যক্তি পরিবার ও সমাজের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে। তারা সমাজের কল্যাণে কাজ করে।
  • ঈশ্বরের সন্তুষ্টি: সৎ ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি ঈশ্বরের কাছে প্রিয় হয়।

উত্তম চরিত্র গঠনের উপায়:

  • সত্যবাদিতা: সর্বদা সত্যবাদী হওয়া উচিত। মিথ্যা কথা বলা থেকে বিরত থাকা উচিত।
  • ন্যায়পরায়ণতা: সকলের প্রতি ন্যায়বিচার করা উচিত। অন্যের অধিকার হরণ করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
  • দয়া ও সহানুভূতি: দরিদ্র ও অসহায়দের প্রতি দয়া ও সহানুভূতি প্রদর্শন করা উচিত।
  • ক্ষমাশীলতা: অন্যের ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দেওয়া উচিত। প্রতিশোধের চেষ্টা করা উচিত নয়।
  • শৃঙ্খলাবোধ: জীবনে শৃঙ্খলা বজায় রাখা উচিত। নিয়মিত নিয়ম মেনে চলা উচিত।
  • শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জন: শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে চরিত্র উন্নত করা যায়।
  • ভালো মানুষের সাথে মেলামেশা: ভালো মানুষের সাথে মেলামেশা করলে তাদের সৎ ও ন্যায়পরায়ণ গুণাবলী শেখা যায়।

উপসংহার:

পরিশেষে বলা যায়, চরিত্র মানুষের জীবনের অমূল্য সম্পদ। উত্তম চরিত্রের মাধ্যমে মানুষ জীবনে স্থায়ী সম্মান, মর্যাদা, সুখ ও সফলতা অর্জন করতে পারে। তাই সকলের উচিত উত্তম চরিত্র গঠনের চেষ্টা করা।

উদাহরণ:

  • মহাত্মা গান্ধী: মহাত্মা গান্ধী ছিলেন একজন সত্যবাদী ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি। তিনি সারাজীবন সত্য ও অহিংসার নীতি অনুসরণ করেছেন।

ভাব সম্প্রসারণ: চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ

ভূমিকা:

মানুষের জীবনে সম্পদের অবদান অপরিসীম। অর্থ, জ্ঞান, ক্ষমতা, সৌন্দর্য – সবকিছুই মানুষের জীবনকে সমৃদ্ধ করে। কিন্তু এই সকল সম্পদের মধ্যে চরিত্র বহন করে এক অপূর্ব গুরুত্ব। সত্যিকার অর্থে, চরিত্রই মানুষের অমূল্য সম্পদ

চরিত্রের সংজ্ঞা:

চরিত্র বলতে বোঝায় মানুষের নৈতিক গুণাবলী এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্য। সততা, ন্যায়পরায়ণতা, দানশীলতা, সহানুভূতি, ধৈর্য, সাহস, শৃঙ্খলা – এসব গুণাবলী একজন মানুষের চরিত্রকে করে তোলে শুভ্র ও উজ্জ্বল।

কেন অমূল্য চরিত্র ?

  • অন্যান্য সম্পদের চেয়ে স্থায়ী: অর্থ, জ্ঞান, ক্ষমতা, সৌন্দর্য – সবকিছুই ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু চরিত্রের গুণাবলী মানুষের জীবদ্দশা ধরে টিকে থাকে।
  • সম্মান ও মর্যাদার উৎস: উত্তম চরিত্রের অধিকারী ব্যক্তি সর্বত্র সম্মান ও মর্যাদা লাভ করে।
  • সুখের ভিত্তি: সৎ ও ন্যায়পরায়ণ জীবনযাপন মানুষকে মানসিক প্রশান্তি ও সুখをもたらয়।
  • সামাজিক কল্যাণের চাবিকাঠি: চরিত্রবান ব্যক্তিরা সমাজের জন্য অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করে।
  • আত্ম-উন্নয়নের মাধ্যম: চরিত্র গঠনের মাধ্যমে মানুষ নিজেকে পরিশীলিত করে তুলতে পারে এবং জীবনের সকল ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করতে পারে।

উত্তম চরিত্র গঠনের উপায়:

  • শিশুকাল থেকেই নৈতিক শিক্ষার প্রদান: পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে সততা, ন্যায়পরায়ণতা, দানশীলতা, সহানুভূতির মতো গুণাবলী বিকশিত করা।
  • সৎ ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিদের সাথে মেলামেশা: চরিত্রবান ব্যক্তিদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে তাদের আচরণ ও মূল্যবোধ অনুসরণ করা।
  • ধর্মীয় ও নৈতিক গ্রন্থ অধ্যয়ন: ধর্মীয় ও নৈতিক গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে নীতিবোধ ও আধ্যাত্মিকতার জ্ঞান অর্জন করা।
  • নিজের ভুল ত্রুটি থেকে শিক্ষা গ্রহণ: জীবনের ভুল ত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে সংশোধন ও পরিমার্জন করা।
  • সৎ ও ন্যায়পরায়ণ জীবনযাপনের প্রতি দৃঢ় প্রতিজ্ঞা: সকল পরিস্থিতিতে সত্য ও ন্যায়ের পথে অটল থাকার চেষ্টা করা।

উপসংহার:

চরিত্র মানুষের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।

পড়ুনঃ  ব্রা – প্যান্টি কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ মেয়েদের যোনি টাইট করার ক্রিম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ  ম দিয়ে ছেলেদের নাম / ম দিয়ে ছেলেদের  ইসলামিক নাম

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “ভাবসম্প্রসারণ চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ । ভাব সম্প্রসারণ চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ”

Your email address will not be published. Required fields are marked *